ভবঘুরেদের খাবারের জন্য ব্যারাকে রান্নার পরিমাণ বাড়াল মারিশদা ও পাঁশকুড়া থানা

জেলা জুড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার বিতরণ পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের জেরে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হওয়া নিষেধ। হোটেলও বন্ধ। এই অবস্থায় ভবঘুরেদের খাওয়ানোর দায়িত্ব নিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের মারিশদা ও পাঁশকু়ড়া থানার পুলিশ। নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে পুলিশ ব্যারাকে রান্নার পরিমাণ বাড়িয়ে ভরঘুরেদের খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন তাঁরা।

    মেচোগ্রাম মোড়ে ঘোরাফেরা করা দুঃস্থ, ভবঘুরে ও মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষজনকে শনিবার পাত পেড়ে খাওয়ান পাঁশকুড়া থানার পুলিশ। সিভিক ভলান্টিয়াররা তাঁদের বসিয়ে যত্ন করে খাবার বেড়ে দেন পাতে।

    মারিশদা থানার ওসি অমিত দেব বলেন, “যা দুর্দিন পড়েছে এমনিতেই এই সব মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যাবেন। লকডাউনে সাধারণ মানুষই ঠিকমতো খেতে পাচ্ছেন না আর এঁরা কোথায় খাওয়ার পাবেন? এঁদেরও তো জীবন আছে। এঁরাও তো আর পাঁচ জন মানুষের মতো বাঁচতে চান। আজ সব মানুষ গৃহবন্দী। এঁদের এমনিতে থাকার ঠিকানা নেই। এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ান। অন্যান্য দিন খাবার জুটে যায়। কেউ না কেউ কিছু না কিছু দেন। এখন পরিস্থিতি অন্য দিনের মতো নয় যে এখান-সেখান থেকে খাবার জুটে যাবে — লকডাউনে সব বন্ধ। যতদিন না এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় ততদিন আমরা এঁদের দু’বেলা খাবার জোগাড় করে দেব।” মারিশদা থানার সামনে একটি বিশ্রামাগারে ভবঘুরেদের খাওনোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওঁদের জন্য হ্যান্ড ওয়াশ ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারেরও ব্যবস্থা করেছে দুই থানার পুলিশ।

    কাঁথি, পটাশপুর, ভগবানপুরের বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছ্বাসেবী সংগঠন ও ক্লাব দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষজনকে চাল, ডাল, আলু, নুন ও তেল বাড়ি বাড়ি বণ্টনের কাজে নেমেছে। কাঁথির একটি ক্লাব শনিবার শহরের প্রায় সাতশো জনের বাড়িতে এই সব খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করেছে। ভগবানপুরের একটি সংগঠন এলাকায় পাঁচশোটি পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিয়ে এসেছে।

    কাঁথিতে কয়েকজন পশুপ্রেমী এদিন পথের কুকুর, পায়রা ও গরুকে খাওনোর ব্যবস্থা করেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More