রবিবার, অক্টোবর ২০

#Breaking: বিজেপি-র বিজয় মিছিল ভাঙল ব্যারিকেড, রক্তাক্ত পুলিশ, রণক্ষেত্র গঙ্গারামপুর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’দিন আগেই নিমতায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, আর কোনও বিজয় মিছিল করতে দেওয়া হবে না রাজ্যে। এনাফ ইজ এনাফ। পাল্টা বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী যত আটকাবেন বিজেপি তত মিছিল করবে। সে দিনই বোঝা গিয়েছিল উত্তেজনা বাড়বে। হলও তাই। শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরে বিজয় মিছিল ঘিরে বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল একাধিক এলাকা। চলল লাঠি। আহত হলেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। পাল্টা ইটবৃষ্টিতে রক্ত ঝরল পুলিশেরও।

বিজেপি-র মিছিল ঘিরে সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল বুনিয়াদপুরে। মিছিল আটকাতে মোতায়েন করা হয় বিরাট পুলিশ বাহিনী। কিন্তু দিলীপ ঘোষ পৌঁছতেই পাল্টে যায় পরিস্থিতি। মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে পুলিস। পুলিশের আপত্তি মানেনি বিজেপি। জমায়েত নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন মেদিনীপুরের সাংসদ। চরমে পৌঁছয় উত্তেজনা। বুনিয়াদপুরের পর ফের গঙ্গারামপুর শহরে ঢোকার মুখে আবার মিছিল আটকানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল নিয়ে শহরে ঢুকে পড়েন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

এরপর পুলিশ  মিছিল আটকাতে গেলেই শুরু হয় ধস্তাধস্তি। বিজেপি-র অভিযোগ, বিনা প্ররোচনায় তাদের কর্মীদের উপর বেপরোয়া লাঠি চালায় পুলিশ। পুলসিহের বক্তব্য, ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। বারণ সত্ত্বেও মিছিল থামায়নি বিজেপি। বিজেপি কর্মীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হয়েছেন এক পুলিশকর্মীও। তাঁর মাথা ফেটে গিয়েছে।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “মানুষ আমাদের জিতিয়েছেন। আমরা মানুষকে অভিনন্দন জানাতে মিছিল করেছি। এতে আপত্তির কী আছে? আর এখানে কি কার্ফু চলছে নাকি যে, মিছিল করা যাবে না?” পাল্টা বালুরঘাটের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী তথা দক্ষিণ দিনাজপুরের নতুন তৃণমূল জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষ বলেন, “গোটা রাজ্যে যেমন বিজেপি বিজয় মিছিলের নামে গুণ্ডামি করছে, তেমন এখানেও করেছে। প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।”

Comments are closed.