রোগীর আত্মীয়দের হাতে মার খেল পুলিশ, উত্তপ্ত এমআর বাঙুর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহরের বুকে ভরদুপুরে হাসপাতালের মধ্যে আক্রান্ত পুলিশ। মার খেলেন হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরাও।

    অভিযোগ টালিগঞ্জের এমআর বাঙুর হাসপাতালে চার পাঁচজন পুলিশকর্মীকে মারধর করেছে রোগীর আত্মীয়। আক্রান্ত হয়েছেন হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীরাও। জানা গিয়েছে, ২-৩ দিন ধরে এই হাসপাতালে জ্বর নিয়ে ভর্তি ছিলেন নিউ আলিপুরের ৩ যুবক। রবিবার তাঁদেরকে দেখতে আসেন আত্মীয়রা। রোগীর পরিজনদের অভিযোগ, সে সময় ওয়ার্ডে ঢুকতে তাঁদের বাধা দেয় নিরাপত্তারক্ষীরা। বলা হয় একজনের বেশি ভিতরে ঢোকা যাবে না। এরপরেই শুরু হয় গণ্ডগোল।

    রবিবার বেলা দেড়টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে। সেসময়ে টালিগঞ্জ ফাঁড়িতে ওই রোগীদের পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে যাচ্ছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তখনই হাসপাতালে চড়াও হয় ৩০-৪০ জনের একটি দল। অভিযোগ নিয় আলিপুর থেকেই এসেছিলেন ওই জনা চল্লিশ লোক। এরপরেই শুরু হয় হাতাহাতি। ইমার্জেন্সির সামনে দায়িত্বে থাকা টালিগঞ্জ ফাঁড়ির তিন চারজন পুলিশকর্মীকে বেধড়ক মারধর করে উন্মত্ত জনতা। রেহাই পাননি নিরাপত্তারক্ষীরাও।

    অভিযোগ, এক পুলিশকর্মীর জামা ছিঁড়ে দেয় উন্মত্ত জনতার একাংশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতালে আসে টালিগঞ্জ ফাঁড়ির বিশাল পুলিশবাহিনী। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। যদিও রোগীর আত্মীয়দের অভিযোগ তাঁরা রোগীকে দেখতে ওয়ার্ডে ঢুকতে যাওয়ায় বাধা দেয় নিরাপত্তারক্ষীরা। অকারণেই মারধর করে বলে অভিযোগ।

    কয়েক মাস আগে উন্মত্ত জনতার হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এই টালিগঞ্জ থানারই পুলিশকর্মীরা। মেনকা সিনেমা হলের সামনে মদ্যপ চালক এবং বেপরোয়া বাইককে আটকানোয় থানায় এসে চড়াও হয় একদল লোক। প্রথমে থানা লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে শুরু করে তারা। পরে ঢুকে পড়ে থানার ভিতর। কয়েকজন ওসির ঘরে ঢুকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। বাকিরা চড়াও হয় পুলিশকর্মীদের উপর। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এক কনস্টেবলকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছিল উন্মত্ত জনতার বিরুদ্ধে। এমনকী মহিলা কনস্টেবলদের পোশাক ছেঁড়ারও অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে অভিযুক্তকে প্রাথমিক ভাবে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More