ডিএ ও বেতন ইস্যুতে মমতাকে চাপ, সরকারি কর্মীদের মন পেতে ‘ত্রিপুরা-কৌশল’ মোদীর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: অমিত শাহর পরে নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যে সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ইস্যুকে কাজে লাগাতে মরিয়া বিজেপি। এই রাজ্যে কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন চলছে। এই নিয়ে মামলাও চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রচারে ডিএ ইস্যুকে সামনে নিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

    এদিন কোচবিহারে নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “কেন এই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হচ্ছে না? কেন পরীক্ষা দিয়েও চাকরি মিলছে না?”

    ইতিমধ্যেই দেশের বহু রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হয়েছে। বিজেপি শাসিত সব রাজ্যেই এখন কেন্দ্রীয় হারে বেতন। ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনী প্রচারে বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। বিপ্লব দেব সরকার গঠনের পরেই চালু হয় সপ্তম বেতন কমিশন। এবার এই রাজ্যেও কি সেই একই পথে হাঁটতে চাইছে বিজেপি?

    এর আগে রাজ্যে এসে এনিয়ে প্রতিশ্রুতিও দিয়ে যান বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বেতনের হারে বৈষম্য নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষোভের কথা অজানা নয় বিজেপি সভাপতির। রাজ্য সরকারের বিপুল সংখ্যক সরকারি কর্মীদের সেই ক্ষোভকেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন বিজেপি সভাপতি। গত জানুয়ারি মাসে মালদহের সভায় তিনি বলেন, ‘‘ভারতীয় জনতা দলের সরকার বাংলায় ক্ষমতায় এলেই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করব।’’ শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়েও সরব হন অমিত শাহ। তিনি বলেন, ‘‘৪৯ শতাংশ ডিএ বাকি। ডিএ দিতে পারছে না, কোথায় গেল এইসব পয়সা? সেই সমস্ত পয়সা বের করতে হবে।’’

    এবার নরেন্দ্র মোদীও সেই সুরে রাজ্যকে আক্রমণ করে বুঝিয়ে দিলেন সরকারি কর্মচারীদের ক্ষোভ কাজে লাগাতে চায় বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, বিপুল সংখ্যক রাজ্য সরকারি কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের মন জিততে পারলে রাজ্যে বিজেপি-র কাজ অনেকটাই সহজ হবে। শুধু তাই নয়, ভোটে দায়িত্বও পালন করতে হয় বড় সংখ্যক সরকারি কর্মীদের। সব মিলিয়ে ভেবেচিন্তেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের দলে টানতে মরিয়া বিজেপি।

    ২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর অভিরূপ সরকারকে চেয়ারম্যান করে ষষ্ঠ বেতন কমিশন গঠন করে রাজ্য সরকার। দফায় দফায় সময়সীমা বেড়ে গত ২৬ নভেম্বর কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। মনে করা হয়েছিল লোকসভা নির্বাচনের আগে কমিশন রিপোর্ট জমা দিতে পারে। কিন্তু ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই কমিশনের মেয়াদ ফের ছ’মাস বাড়িয়ে আগামী জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    কমিউনিস্ট গুন্ডাদের নিয়ে বাংলায় সরকার চালাচ্ছেন দিদি: কোচবিহারে মোদী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More