ভাটাপাড়ায় উমফানের ক্ষতিগ্রস্তদের প্রমাণ-সহ তালিকা দিতে সময় স্রেফ ২৪ ঘণ্টা, পুরবোর্ডের উপরে ক্ষুব্ধ বিধায়ক

বিজেপির বিধায়কের অভিযোগ, এলাকার লোককে সাহায্য করার সদিচ্ছা নেই তৃণমূল প্রশাসক শাসিত পুরবোর্ডের। যদিও পুরবোর্ড জানিয়েছে, তারা সময় আরও একদিন বাড়িয়ে দিয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তর ২৪ পরগনায় ভাটাপাড়ায় উমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা ও প্রমাণ পত্র দিতে হবে মাত্র ২৪ ঘণ্টায়। পুরসভার এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ভাটাপাড়ার বিধায়ক। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যাপারে ভাটপাড়া পুরসভার সদিচ্ছা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

    ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিংয়ের অভিযোগ, “ইচ্ছাকৃত ভাবে ভাটপাড়া পুরসভার পুরপ্রধান সময় দেননি ক্ষতিগ্রস্তদের যাতে আমার বিধানসভা এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি সাহায্য না পান।” এই এলাকায় অনেকের বাড়ি ভেঙ্গে গেছে, অনেক বাড়ির চাল ঝড়ে উড়ে গেছে। পবন সিংয়ের প্রশ্ন, “তাঁরা তাঁদের প্রমাণপত্র কোথায় পাবেন এই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে?” তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ পুরসভার এই পদক্ষেপে। তিনি পুরপ্রধানের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি পুরণ দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। পুরপ্রধান ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে ক্ষতির পরিমাণ জানাতে বলেন।

    আগে ভাটপাড়ার বিধায়ক ছিলেন অর্জুন সিং এবং পুরপ্রধান ছিলেন তাঁর ভাইপো সৌরভ। তৃণমূল ছেড়ে অর্জুন সিং বিজেপিতে যোগ দিয়ে সাংসদ নির্বাচিত হন। উপনির্বাচনে বিজেপির হয়ে লড়ে বিধায়ক হন তাঁর ছেলে পবন। অনেক নাটকের পরে ভাটপাড়া পুরসভা যায় তৃণমূলের দখলে। পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হলে সেখানে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয় বিদায়ী বোর্ডের পুরপ্রধান অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “সরকারের কাছে আবেদন করে সময় আরও একদিন বাড়ানো হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি রিপোর্ট চাওয়ায় এক দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। এখন আরও একদিন বাড়িয়ে দেওয়া হল।”

    ক্ষতিগ্রস্তরা জানাচ্ছেন তাঁদের অনেকের বাড়ির উপরে এখনও গাছ পড়ে আছে। অনেকে বাড়িতে ঢুকতে পারছেন না। তাই কী ভাবে তাঁরা নথিপত্র বের করবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না। গাছগুলি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বলেই তাঁরা ঘরে ঢুকতে সাহস পাচ্ছেন না।

    গত বুধবার রাজ্যে আছড়ে পড়ে ঘুর্ণীঝড় উমফান। সেই ঝড়ের দাপটে রাজ্যে ব্যাপর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু বাড়ির ক্ষতি হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More