শেওড়াফুলির করোনা আক্রান্ত ভর্তি ছিলেন চন্দননগরের নার্সিংহোমে, কোয়ারেন্টাইন করল প্রশাসন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: গতকাল রাতেই জানা গিয়েছিল সল্টলেকের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হুগলির শেওড়াফুলির এক ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপর গোটা হুগলি জেলাতেই আলোড়ন পড়ে যায়। প্রশাসন জানতে পারে, ২৫-২৮ মার্চ চন্দননগরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি ছিলেন ওই ব্যক্তি। সোমবার সেই নার্সিংহোমটিকে কোয়ারেন্টাইন করে দিল হুগলি জেলা প্রশাসন।

    ওই নার্সিংহোমের চিকিৎসক, নার্স, ভর্তি থাকা রোগী, সাফাই কর্মী-সহ মোট ২০জনকে ভিতরে রেখে বাইরে থেকে.সিল করে দেওয়া হয় প্রশাসনের তরফে। আগামী ১৪ দিন কাউকে বেরোতে দেওয়া বা ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

    ওই নার্সিংহোমের এক চিকিৎসক চুঁচুড়া আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছেন। তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসার দিকে তাকিয়ে রয়েছে প্রশাসন। কারণ তিনি আরও কয়েকটি নার্সিংহোমের সঙ্গে যুক্ত। তেমন পরিস্থিতি হলে সেই নার্সিংহোমগুলিকেও কোয়ারেন্টাইন করে দেওয়া হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।

    গত ১৫ মার্চ থেকে জ্বর হয় শেওড়াফুলির ওই ব্যক্তির। ১৭ মার্চ একটু কমলে সেই অবস্থাতেই নিয়েই দুর্গাপুরে অফিসে যান তিনি। ১৮ তারিখ থেকে আবার কাশি শুরু হয়। ২৫ তারিখ চন্দননগরের নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁর পরিবারের লোক সল্টলেকের হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানই তাঁর কোভিড-১৯ ধরা পড়ে।

    হুগলি জেলায় করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এই প্রথম। ফলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। আক্রান্ত ব্যক্তির গতিবিধির খবর নিয়ে এলাকার কোনও পরিবারকে কোয়ারেন্টাইন করানো যায় কিনা সে ব্যাপারেও প্রশাসন ভাবনাচিন্তা করছে বলে জানা গিয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More