এ বার ‘মিশন গারুলিয়া’, চেয়ারম্যান সুনীল সিং-এর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনল তৃণমূল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: গারুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান সুনীল সিং-এর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনল তৃণমূল কংগ্রেস। পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের কাছে ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলরের সই করা অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়ে সোমবার। আবেদন করা হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার।

    সুনীল সিং শুধু চেয়ারম্যান নন। নোয়াপাড়া বিধানসভার বিধায়কও। উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে জিতলেও মাস দুই আগে যোগ দেন বিজেপি-তে। লোকসভার আগে থেকেই জল্পনা চলছিল সুনীল বিজেপি-তে যোগ দেবেন। তাঁর শ্যালক অর্জুন সিং গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পর সেই জল্পনা আরও বাড়ে। কিন্তু যাননি তিনি। অনেকের মতে, তৃনমূলের ভিতরে থেকেই বিজেপি-র হয়ে কাজ করেছেন গোটা ভোটে।

    গারুলিয়া পুরসভার মোট আসন সংখ্যা ২১। ১৫ সালের ভোটের পর ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের এই পুরসভার সমীকরণ ছিল এই রকম—তৃণমূল-২০ এবং বামফ্রন্ট-১। কিন্তু সুনীল বিজেপি-তে যেতেই আরও সাত কাউন্সিলর যোগ দেন পদ্মশিবিরে। ফলে দলবদলের পর সমীকরণ দাঁড়ায়—তৃণমূল-১২, বিজেপি-৮ এবং বামফ্রন্ট-১।

    খাতায় কলমে সংখ্যা গরিষ্ঠ না হলেও দাপটের জন্যই চেয়ারম্যান পদে এখনও রয়েছেন সুনীল। এ বার তাঁর বিরুদ্ধেই অনাস্থা আনল তৃণমূল।  এর আগে বনগাঁ, হালিশহর, কাঁচরাপাড়া পুরসভা বিজেপি দখল করলেও, পরে তৃণমূল তা পুনর্দখল করে নেয়। বনগাঁ দখলের দিনই খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন, “পুজোর পর দেখবেন সব পুরসভায় আবার জোড়া ফুল ফুটেছে। ভ্যানিশ হয়ে যাবে পদ্মফুল।”

    তবে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন কিছুতেই বোর্ড গড়তে পারবে না তৃণমূল। সোমবার বীরভূমে গিয়েছিলেন অর্জুন। তিনি বলেন, “তৃণমূলের কাজই শুধু অনাস্থা আনা। নিশ্চিন্ত থাকুন বোর্ড গড়তে দেব না।” এখন দেখার গারুলিয়া পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার কবে আস্থা ভোট করান।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More