বাংলাকে ৯২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের, সংক্রমণ মোকাবিলা ও রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে দেওয়া হয়েছে, জানালেন নির্মলা সীতারমণ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের অভিঘাতে বাংলায় যে রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হয়েছে সে কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোলাখুলিই জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে কেন্দ্রের থেকে তিনি যে আর্থিক প্যাকেজ চেয়েছেন তাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন, চলতি আর্থিক বছরের বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে প্রথম কিস্তির টাকা এদিন পশ্চিমবঙ্গে বরাদ্দ করা হয়েছে। বাংলার জন্য এই খাতে (বিপর্যয় মোকাবিলায় ত্রাণ তহবিল) বরাদ্দ করা হয়েছে ৫০৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বুলবুল ঘূর্ণিঝড়ের জন্য ক্ষতিপূরণের বকেয়া ১০৯৮ কোটি টাকা রাজ্যকে বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র।

    এরই পাশাপাশি নির্মলা জানিয়েছেন পঞ্চদশ অর্থকমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গকে রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে শুক্রবার বরাদ্দ করা হয়েছে আরও ৪১৭ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা।

    রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আরও ১৩ টি রাজ্যকে অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মধ্যে সবথেকে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে বাম শাসিত রাজ্য কেরল। কেরলের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১২৭৬ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা। এই চোদ্দটি রাজ্যকে এই খাতে মোট বরাদ্দ করা হয়েছে ৬১৫৭ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা।
    এ ছাড়া বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে প্রথম কিস্তির টাকা হিসাবে সবকটি রাজ্যকে মোট ১১,০৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

    যদিও এর পরেও নবান্ন যে খুব সন্তুষ্ট হবে তা নয়। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কেন্দ্র রাজ্যের বকেয়া টাকা ছাড়ুক। সেই সঙ্গে ২৫ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ দাবি করেছিলেন তিনি। তা ছাড়া বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে চিঠি লিখে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেছেন, জিএসটি খাতে ক্ষতিপূরণের ২,৮৭৫ কোটি টাকা যেন অবিলম্বে রিলিজ করে কেন্দ্র।

    ওই চিঠিতে অমিত মিত্র এও লিখেছেন, “আপনি জানেন করোনাভাইরাসের মহামারী রাজ্যের কোষাগারে কী ধরনের প্রভাব ফেলেছে। ব্যবসায়িক কাজকর্ম ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ধাক্কা এসে পড়েছে রাজস্ব আদায়ে। এই অবস্থায় জিএসটি-র ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে দেরি হলে রাজ্য আরও সংকটে পড়বে।” ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত জিএসটি-র ক্ষতিপূরণের টাকা বকেয়া রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, জিএসটি আইনেই বলা হয়েছে, এই পরিষেবা কর চালু হলে রাজ্যের রাজস্ব চোদ্দ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এই খাতে কোনও ঘাটতি হলে লাক্সারি পণ্য বা মদ সিগারেট, তামাকের উপর চাপানো সেসের টাকা থেকে তা মেটানো হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More