জিয়াগঞ্জ হত্যা: এখনও আটক বাবা ও বন্ধু, সিআইডি-র নজরে ফোনের কল রেকর্ড, সিসিটিভি ফুটেজ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিয়াগঞ্জে নিহত শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পালের বাবা অমর পাল এবং বন্ধু সৌভিক বণিককে শনিবারই আটক করেছিল মুর্শিদাবাদ পুলিশ। রবিবারও দিনভর জেরা চলল তাঁদের। পুলিশ এ দিন সন্ধে পর্যন্ত তাঁদের গ্রেফতার দেখায়নি। জানা গিয়েছে জিয়াগঞ্জ থানায় বসিয়েই দফায় দফায় জেরা চলছে নিহত শিক্ষকের বাবা ও বন্ধুর।

    শনিবার মোট চারজনকে আটক করেছিল পুলিশ। কিন্তু বাকি দু’জনকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশের সন্দেহ সৌভিকের উপরেই। কিন্তু এখনও জেরা করে খুনের কথা তাঁর কাছ থেকে বার করা যায়নি বলেই সূত্রের খবর।

    শুক্রবার বিকেলে মুর্শিদাবাদ পুলিশের একটি দল বীরভূমের রামপুরহাটে সৌভিক বণিক নামে বন্ধুপ্রকাশের এক বন্ধুর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তাঁকে বাড়িতে পাওয়া না গেলেও সেখান থেকে বেশ কয়েকটি ডায়েরি ও অন্য নথি নিয়ে যায়। রাতে সিউড়ি শহরে যে বাড়িতে সৌভিক ভাড়া থাকতেন, সেখানেও হানা দেয় পুলিশ। সেখানেও পাওয়া যায়নি তাঁকে। পরে ওই এলাকা থেকেই আটক করা হয় ওই যুবককে। বন্ধুপ্রকাশের সাগরদিঘির বাড়ি থেকে আটক করা হয় তাঁর বাবা অমর পালকে।

    ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে সিআইডি। রবিবার বন্ধুপ্রকাশের সাগরদিঘীর বাড়িতে গিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। কথা বলেন তাঁর মায়ের সঙ্গে। সিআইডি সূত্রে খবর, গোয়েন্দারা এখন নিহত দম্পতির মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড দেখতে চাইছেন। ঘটনার দিন সকাল থেকে বা আগের দিন রাত থেকে তাঁদের ফোনে কোন কোন নম্বর থেকে ফোন এসেছিল বা তাঁরা কাদের ফোন করেছিলেন, সেই রেকর্ড খতিয়ে দেখতে চাইছে সিআইডি।

    একই সঙ্গে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার নজরে সিসিটিভি ফুটেজও। জিয়াগঞ্জ ঘাটের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে চাইছে গোয়েন্দা দল। ওই দিন সকালে ফেরি পেরিয়ে লালবাগের দিক থেকে কারা এসেছেন, তাঁদের মধ্যে সৌভিক ছিলেন কিনা সবটাই দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

    মঙ্গলবার বিজয়া দশমীর দিন বেলা ১১টা নাগাদ জিয়াগঞ্জ শহরের লেবুবাগানে বাড়ির ভেতর থেকে ঢুকে খুন করা হয় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পাল, তাঁর সন্তানসম্ভবা স্ত্রী বিউটি মণ্ডল পাল ও তাঁদের ৬ বছরের ছেলে বন্ধুঅঙ্গন পালকে। বাড়ির শোওয়ার ঘরের খাটের উপর দেহ মেলে প্রকাশবাবুর। মেঝেতে পড়েছিল তাঁর ছেলের রক্তাক্ত দেহ। পাশের ঘর থেকে মেলে বন্ধুপ্রকাশবাবুর স্ত্রী বিউটির ক্ষতবিক্ষত দেহ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহল তোলপাড়। নিহত শিক্ষক আরএসএস কর্মী ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে সিআইডি লেবুবাগানের বাড়ি ঘুরে শনিবার বেশ কিছু নমূনা সংগ্রহ করে। জানা গিয়েছে সোমবার ফের লেবুবাগানে যেতে পারে সিআইডি টিম। এখন দেখার কবে এই সপরিবার হত্যা রহস্যের কিনারা করেন তদন্তকারীরা।

    পড়ুন দ্য ওয়ালের পুজো সংখ্যার বিশেষ লেখা…..

    বাইকে চেপে পৃথিবীর ছাদ পামিরে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More