শ্যামাপ্রসাদের নামে হচ্ছে কলকাতা বন্দর, ঘোষণা মোদীর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঐতিহ্যশালী কলকাতা বন্দরের নতুন নামকরণ করল কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার।
বন্দরের দেড়শ বছর পূর্তির উদযাপন অনুষ্ঠানে এদিন উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন, কলকাতা বন্দরের নতুন নাম হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর।

কলকাতা বন্দরের দেড়শ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার কলকাতায় পা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল রাত বেলুড় মঠে কাটিয়ে এদিন সকালে স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে বেলুড় মঠে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন মোদী। তারপর সেখান থেকে লঞ্চে করে মিলেনিয়াম পার্কে আসেন। নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে কলকাতা বন্দরের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। অনুষ্ঠানে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন- বারাণসীর ঘাটের মতোই কলকাতায় ৩২ একর জমিতে গঙ্গা দর্শনের ব্যবস্থা হবে, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

এই অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতের প্রাচীনতম বন্দরের ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ তুলে আনেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই বন্দর ভারত ঐতিহ্যের প্রতীক। আর এই বাংলার বীর সন্তান শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের শিল্পের বিকাশের পথিকৃৎ। তাই এই বন্দরের নাম বদল করে রাখা হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর।” 

এদিন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও অনেক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন।তিনি বলেন, কলকাতাতেও গঙ্গা দর্শনের সুন্দর ব্যবস্থা হবে। তা করবে কেন্দ্রের সরকার। তিনি জানান, এ জন্য ৩২ একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। গঙ্গা দর্শনের ব্যবস্থা ছাড়াও সেখানে আরামদায়ক নানান সুবিধা থাকবে। সেখানে অ্যাকোরিয়াম, ওয়াটার পার্ক ইত্যাদিও গড়ে তোলা হবে। গঙ্গা তীরের সৌন্দর্যায়নের ব্যবস্থাও করবে সরকার। 

আরও পড়ুন- কাটমানি, সিন্ডিকেট নিয়ে তৃণমূলকে খোঁচা মোদীর, রাজ্যে কেন কৃষক নিধি প্রকল্প নেই, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

হলদিয়া থেকে বারাণসী ছোট জাহাজ চলাচল ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এদিন সেই প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমি কাশীর সাংসদ। কলকাতার সঙ্গে ইতিমধ্যেই জুড়ে গিয়েছি’। সেই সঙ্গে বলেন, কলকাতা বন্দরের উন্নতির জন্য কেন্দ্রের সরকারের আরও পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে প্রকৃত অর্থেই কলকাতা বহির্বিশ্ব ও দেশের ভিতরের শহরগুলির সঙ্গে জলপথে যোগাযোগের এক সঙ্গমস্থল হয়ে উঠতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, এই জলপথ সংযোগের ফলে সরাসরি লাভ হতে পারে কলকাতার। কারণ এর ফলে পর্যটনের বিকাশ হবে। আরও বেশি সংখ্যক পর্যটক কলকাতায় আসবেন। তাতে স্থানীয় কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হবে।

হলদিয়া বন্দরও কলকাতা বন্দরের আওতাতেই পড়ে। এদিনের বক্তৃতায় হলদিয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওখানে একটি মাল্টিমোডাল টার্মিনাল গড়ে তুলবে কেন্দ্রের জাহাজ মন্ত্রক। তা ছাড়া গঙ্গা নদীর নাব্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যও নেওয়া হয়েছে। যাতে বড় জাহাজ সহজে কলকাতায় আসতে পারে। একুশ সালের মধ্যেও ওই কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে জাহাজ মন্ত্রক।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More