মোদী-অমিত শাহ সভা করবেন, ঠাকুরনগর থেকে কাঁথি জট ছাড়িয়ে চলেছেন মুকুল রায়

১৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তর চব্বিশ পরগণার ঠাকুরনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সভা করবেন বলে যেই ঘোষণা হয়েছে, ওমনি জটের শুরু। প্রশাসনই জানিয়ে দিচ্ছে, মতুয়া মহাসঙ্ঘের মেলার মাঠ পাওয়া যাবে না। ওখানে পরদিনই অনুষ্ঠান রয়েছে। রবিবার দুপুরে ঠাকুরনগরে গিয়ে সেই জট ছাড়িয়েছেন বিজেপি নেতা তথা দলের নির্বাচনী কনভেনার মুকুল রায়। কিন্তু সেই জট ছাড়ানোর সময়েই তাঁর কাছে খবর পৌঁছে গিয়েছিল, নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে কাঁথিতে। মঙ্গলবার কাঁথিতে জনসভা করার কথা বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ-র। সুতরাং সোমবার সেখানে ছুটতে হল মুকুল রায়কে। 

এবং কাঁথির জটও শেষমেশ কেটেছে। সেখানে হেলিপ্যাড তৈরি নিয়েও সমস্যা নেই। সোমবার স্থানীয় পূর্ত দফতরের অফিসার, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপারের উপস্থিতিতে অবশেষে মাঠ ও হেলিপ্যাডের জন্য স্থান চূড়ান্ত হয়েছে।
মুকুলবাবুর কথায়, “আমি তো গোড়া থেকেই বলছি, বাংলায় পুলিশরাজ চলছে। যেখানে বিজেপি সভা করার কথা বলছে, সেখানে থানার ওসিরা তৃণমূলের ব্লক সভাপতির মতো আচরণ করছেন। বাংলায় সিপিএমের জমানাতেও এমন হয়নি। তখন এরকম হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতিটাই করতে পারতেন না”।

এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছিলেন, নিয়মের মধ্যে যা যা সম্ভব তাতে কোনও আপত্তি করা হচ্ছে না। তা সে হেলিপ্যাডের জন্য জমি হোক বা সভা করার জন্য জায়গা। তৃণমূলেরও তাই বক্তব্য। শাসক দলের নেতাদের কথায়, বেসরকারি মালিকানায় থাকা জমিতে বিজেপি সভা করছে। জমির মালিক আপত্তি করলে তৃণমূল কী করবে?

তবে এমন নয় যে এ সব সমস্যা শুধু ভোটের আগে হচ্ছে। অতীতে একটি সম্মেলন করার জন্য মহাজাতি সদন ভাড়া করতে গিয়ে বাধা পেয়েছিলেন আরএসএস নেতারা। তখন বলা হয়েছিল, মহাজাতি সদনে সংস্কার কাজ শুরু হবে। আবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম চাইতে গেলে বলা হয়েছিল, ওখানে সরকারি অনুষ্ঠান হবে। এই অবস্থায় গত দু’বছরে বাংলায় বিজেপি ও আরএসএসের অধিকাংশ সম্মেলন বা অনুষ্ঠান হয়েছে কখনও জাতীয় লাইব্রেরির সভাঘরে বা সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে। কারণ, ওই দুটি প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে রয়েছে।

কিন্তু ভোটের আগে জনসভা তো সভাঘরে হবে না। হবে মাঠে, ময়দানে। দৃশ্যতই সে ক্ষেত্রে পদে পদে জটিলতার মধ্যে পড়ছে বিজেপি। এবং সেই পরিস্থিতিতে রাজ্য বিজেপি-তে অন্যতম ভূমিকা নিয়েছেন মুকুল রায়। বহুদিনের পোড় খাওয়া নেতা তিনি। তা ছাড়া লোকসভা ভোটের আগে বাংলায় দলের নির্বাচনী সমন্বয়ের গোটা দায়িত্বটাই এখন তাঁর উপরে দিয়েছেন অমিত শাহ-নরেন্দ্র মোদী। ফলে কন্যাদায়গ্রস্ত বাবার মতই ঠাকুরনগর থেকে কাঁথি ছুটে চলেছেন মুকুল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More