শনিবার, অক্টোবর ১৯

ক্ষমতা হারাচ্ছে নিম্নচাপ, মাঝারি থেকে হাল্কা বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে, প্রভাব উপকূলেও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: টানা বৃষ্টি নয়, আগামী ২৪ ঘণ্টা বিক্ষিপ্ত ভাবে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের। তবে পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা যেমন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। পাশাপাশি উপকূলেও প্রভাব পড়বে বৃষ্টির। আগামী ২৪ ঘণ্টা মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

আইএমডি-র ডেপুটি ডিরেক্টর সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল তা ক্রমশ এগোচ্ছে স্থলভাগের দিকে। আপাতত এর প্রভাবে ওড়িশার উত্তর উপকূল এবং দক্ষিণ গাঙ্গেয় উপকূলে সংলগ্ন এলাকায় হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। আকাশ থাকবে পুরোপুরি মেঘলা। তবে বৃষ্টির তীব্রতা কমবে। কিন্তু তাপমাত্রার সে ভাবে হেরফের হবে না। আগামী ২৪ ঘণ্টা তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

১ জুন থেকে পরিসংখ্যানের নিরীখে বৃষ্টির ঘাটতি ছিল ৫০ শতাংশের উপরে। তবে বর্তমানে ঘাটতি খানিকটা কমেছে। কিন্তু এখনও খাটতির পরিমাণ ৩৯ শতাংশ। আগামী কয়েকদিনের বৃষ্টির প্রভাবে অগস্ট মাসে ঘাটতির পরিমাণ আরও কমবে বলেই অনুমান আবহবিদদের। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ। বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

সোমবারই হাওয়া অফিস পূর্বাভাস দিয়েছিল যে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত হবে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। প্রভাব পড়বে উপকূলেও। পূর্বাভাস অনুযায়ী সোমবার মধ্যরাত থেকেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছিল বিভিন্ন জেলায়। মঙ্গলবার সকালেও বৃষ্টি হয়েছে বেশ কিছু অংশে। বাদ যায়নি কলকাতাও। মঙ্গলবার কলকাতার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার তুলনায় রিয়েল ফিল বেশ কয়েক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৭ শতাংশ।

Comments are closed.