মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭

নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্ত-মৌসুমি অক্ষরেখার জের, বৃষ্টি আপাতত চলবে, জানাচ্ছে হাওয়া অফিস

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিম্নচাপ, মৌসুমি অক্ষরেখা এবং ঘূর্ণাবর্তের জেরে আপাতত বৃষ্টি চলবে দক্ষিণবঙ্গে, তেমনটাই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। বুধবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। কোথাও হাল্কা, কোথাও বা মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে বুধবার। তবে বৃহস্পতিবার বেড়েছে বৃষ্টির প্রকোপ। বেশ কিছু জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টিও হয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, শুক্রবারেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে বিভিন্ন জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

আইএমডি-র ডেপুটি ডিরেক্টর সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের উপরে নিম্নচাপ রয়েছে। মৌসুমি অক্ষরেখা নিম্নচাপ অঞ্চল থেকে জামশেদপুর, দিঘা হয়ে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগরে এসেছে। আর একটা ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গে জলীয় বাষ্প ঢুকছে, মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা কলকাতা-সহ দক্ষিণ বঙ্গে বজ্র বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলবে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম এবং দুই মেদিনীপুরে। তবে উপকূলের জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও, কলকাতা কিংবা দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিই হবে। ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

চলতি মরশুমে বঙ্গে বর্ষা এসেছে দেরিতে। তাই সেপ্টেম্বরের যে সময় থেকে বর্ষার বিদায় নেওয়ার কথা, সেই সময়েই যে মৌসুমি বায়ু ঘাটতি পূরণ করবে তেমনটাই আশঙ্কা করেছিলেন আবহবিদরা। অনুমান, সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে। ক্যালেন্ডারের পাতায় সেপ্টেম্বর মাস যত এগোচ্ছে ততই বাড়ছে বৃষ্টির পরিমাণ। পুজোর বাকি আর মাত্র সপ্তাহ তিনেক। তার আগে টানা বৃষ্টির কারণে কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে কুমোরটুলির প্রতিমা শিল্পীদের। চিন্তায় রয়েছেন ক্লাব কর্তারাও। ব্যবসায় মার খাচ্ছেন ছোট ব্যবসায়ীরাও।

Comments are closed.