সোমবার, মার্চ ২৫

শুধু মানুষ নয়, জীব-জন্তু-পশু-পাখি সবার পাশে দাঁড়াতে চাই: মিমি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজনীতির লোক হলে এ সবের সম্মুখীন হতে হয় না। কিন্তু অন্য জগৎ থেকে রাজনীতিতে এলে বা ভোটে দাঁড়ালেই নানান প্রশ্ন ওঠে। এই যেমন মঙ্গলবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী এবং নুসরত জাহানকে নিয়ে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। বুধবার একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা অভিনেত্রী মিমি। জানিয়ে দিলেন, “শুধু মানুষের জন্য নয়। আমি জীব, জন্তু, পশু, পাখি সবার পাশে দাঁড়াতে চাই।”

এমনিতে মিমি যে পশুপ্রেমী তা অনেকেই জানেন। বাড়িতে তাঁর বেশ কয়েকটি চারপেয়ে পোষ্য রয়েছে। তাদের কারও নাম ম্যাক্স তো কারও নাম চিকু। এ দিন সে কথাই বোঝাতে চেয়েছেন মিমি। গ্ল্যামার জগতের কেউ ভটে দাঁড়ালেই প্রশ্ন আসে, কী ভাবে সবটা সামলাবেন? প্রচার, দল, কাজ, শ্যুটিং, কী ভাবে ম্যানেজ হবে সবটা? ওই সাক্ষাৎকারে মিমি জানিয়েছেন, “আমার বাড়ির আমন্ড মিল্ক আসা থেকে, ইলেকট্রিক বিল জমা দেওয়া সব আমি একা হাতে করি। শ্যুটিং ফ্লোরে বিয়াল্লিশ ডিগ্রি টেম্পারেচারে ছুটোছুটি করতে হয়। সেই তুলনায় প্রচারের কাজ অনেক সোজা।” ‘গানের ওপারে’ মেঘা ধারাবাহিকের মাধ্যমে টলিপাড়ায় পা রাখা এই নায়িকা বলেন, “সততা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেঢটা করব। আশাক করব মানুষ আমাকে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেবেন।”

যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র ঐতিহাসিক ভাবেই তাৎপর্যপূর্ণ। ৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই প্রথম জিতেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনীতিতে আনকোরা যুব কংগ্রেস নেত্রী সে বার হারিয়ে দিয়েছিলেন সিপিএমের সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবারই মিমি জানিয়েছিলেন তিনি জানতেন না দিদি তাঁকে প্রার্থী করবেন। হঠাৎই সেই খবর পান তিনি। তারপর পরপর এত ফোন আসতে থাকে যে সেটা হ্যাং করে যায়। দিদির জেতা প্রথম কেন্দ্রেই প্রথম ভোটের লড়াই মিমির। শেষ দফায় ভোট হবে যাদবপুরে। ‘দু’মাসের বেশি সময় পাবেন মিমি প্রচারের জন্য। এখন দেখার প্রচারে কে ভাবে ঝড় তোলেন মিমি।

Shares

Comments are closed.