বুধবার, মার্চ ২০

মমতা প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হলে, কংগ্রেস সমর্থন করবে? জবাবে কী বললেন মল্লিকার্জুন

দ্য ওয়াল ব্যুরোব্রিগেডের সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে এখনই ভাববার দরকার নেই। ভোটের পর সবাই মিলে ঠিক করা যাবে। যৌথ নেতৃত্বই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু দিদি সে কথা বললে কী হবে, এ দিন সন্ধ্যায় ফের মল্লিকার্জুন খার্গের কাছে প্রশ্ন উঠল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী পদ প্রার্থী হলে কংগ্রেস কি সমর্থন জানাবেজবাবে সনিয়া-রাহুলের দূত তথা লোকসভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খার্গে বলেন, আমাদের ওখানে একটা প্রবাদ রয়েছে, বকরি ঈদ মে বাঁচেঙ্গে, তো মহরম মে নাচেঙ্গে! আগের কাজ আগে হোক। ওসব পরে দেখা যাবে।  

ব্রিগেড সমাবেশের সাফল্য কামনা করে শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাহুল গান্ধী চিঠি পাঠাতেই রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। তা অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছিল সোমেন মিত্র, আবদুল মান্নানদের। শনিবার আবার ব্রিগেডের সভায় সনিয়া গান্ধীর বার্তা পাঠ করে শুনিয়েছেন খার্গে। এই অবস্থায় প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা চাইছেন, দলের রাজ্য দফতরে এসে খার্গে এআইসিসি-র রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যাখ্যা দিক।

বস্তুত সেই কারণেই এ দিন ব্রিগেড সমাবেশের পর প্রদেশ কংগ্রেসের দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা। তিনি বলেন, ব্রিগেডের মঞ্চে সনিয়া গান্ধী এই বার্তাই দিয়েছেন যে মোদী বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কংগ্রেস তামাম বিরোধী দলের সঙ্গে রয়েছেন। তবে রাজ্য রাজনীতির সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। যেমন, এ দিনের সভায় অখিলেশ যাদব ও সতীশ মিশ্রদের পাশাপাশি তিনি থাকলেও উত্তরপ্রদেশে সপা-বসপার জোটে কংগ্রেস নেই। তাঁর কথায়, রাজ্যস্তরে দল কোন অবস্থান নিয়ে চলবে তা রাজ্য নেতারাই ঠিক করবেন। কংগ্রেস হাইকম্যান্ড কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে তা চাপিয়ে দেবেন না।

এর পর মমতা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল খার্গেকে। কিন্তু তার জবাবেও খার্গে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ব্যাপারটা এখন গাছে কাঁঠালের মতই। এই মুহূর্তে প্রয়োজন হলে মোদী বিরোধিতার পরিবেশ মজবুত করা। ভোটের পর কী হবে তা তখন দেখা যাবে।

আরও পড়ুন: ব্রিগেডের মঞ্চে সনিয়ার বার্তা, যেন ধড়ে প্রাণ এল সোমেন-মান্নানদের

ব্রিগেডের মঞ্চে সনিয়ার বার্তা, যেন ধড়ে প্রাণ এল সোমেন-মান্নানদের

Shares

Comments are closed.