বিজয় মিছিলে আসতে দেরি,  তৃণমূলের মারে হাসপাতালে তৃণমূল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘাটাল লোকসভা জিতেছে তৃণমূল। তাও নাকি সেখানে গেরুয়া আস্ফালন। শাসক দলের অভিযোগ, কেশপুরের বহু জায়গায় বিজেপি তাঁদের পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছে। ভাঙচুর করেছে দলীয় কর্মীদের বাড়িঘর। সোমবার সেখানে গিয়েছিলেন রাজ্যের পরিবহণ ও পরিবেশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সাহস জুগিয়েছিলেন কর্মীদের। তাই মঙ্গলবার বিজয় মিছিলের ডাক দিয়েছিল তৃণমূল। সেখানেই ঘটে গেল বিপত্তি।

    কেশপুরের ধলহারা গ্রাম থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল বিজয় মিছিলের। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের অনেকটা পরেও তেমন জমায়েত হয়নি। বেশ কিছুটা সময় পর কয়েকজন দলীয় কর্মী মিছিলে যোগ দেওয়ার জন্য এলে, তাঁদের উপরেই চড়াও হয় স্থানীয় নেতারা। দেরি করে মিছিলে আসার ‘অপরাধে’ তাঁদের বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। চার তৃণমূল কর্মীকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কেশপুরে চিরকালই পেশী শক্তির রাজনীতির জন্য বিখ্যাত। এই ভোটেও সংবাদ শিরোনামে ছিল কেশপুর। বিজেপি-র অভিযোগ, কেশপুর বিধানসভায় তৃণমূল যদি এক তরফা রিগিং না করত, তাহলে দেবের আর দ্বিতীয়বার সংসদে যাওয়া হতো না। ঘাটাল লোকসভার ফলাফল নিয়ে কোর্টে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

    কিন্তু বিজয় মিছিলে আসতে দেরি করায় তৃণমূল কর্মীদের মারে তৃণমূল কর্মীদের জখম হওয়ার ঘটনায় অনেকেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন। তাঁদের কথায়, অনেকেই হয়তো এখন ভক্তিতে নয় ভয়ে করছে। বিজেপি-র এক নেতা বলেন, “জোর করে লোক ধরে আনছে। এখনও যে সব জায়গায় মানুষের মধ্যে তৃণমূলের প্রতি ভয় কাজ করছে, আর কটাদিন বাদে সেটাও কেটে যাবে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More