মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯

বেলা বাড়তেই ঝেঁপে বৃষ্টি, তবে মিলছে না স্বস্তি, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পারদ-আর্দ্রতাও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেলা বাড়তেই বৃষ্টি নামল কলকাতায়। হাল্কা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও। বিকেলের দিকে বাড়তে পারে বৃষ্টি। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল বৃষ্টি হলেও গরম কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাচ্ছে হাওয়া অফিসের এই পূর্বাভাস। প্রায় প্রতিদিনই হাল্কা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। বাদ যায়নি কলকাতাও। কিন্তু তারপরেও গরম কমেনি। বরং প্রতিদিন নতুন করে বাড়ছে তাপমাত্রা। সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে চরম আর্দ্রতা।

সোমবার সকাল থেকেই আংশিক মেঘলা রয়েছে আকাশ। ভ্যাপসা গুমোট গরমে ঘেমেনেয়ে একসা হচ্ছে আম জনতা। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ খুব বেশি থাকায় বজায় রয়েছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও। আবহবিদরা জানিয়েছেন, শতাংশের নীরিখে আর্দ্রতা মারাত্মক না হলেও, রিয়েল ফিল খুবই বেশি। একই ব্যাপার তাপমাত্রার ক্ষেত্রেও। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে রিয়েল ফিল পেরিয়েছে ৪০-এর কোঠা। আজ শহরের রিয়েল ফিল প্রায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। প্রচণ্ড ঘাম না হলেও রয়েছে এক অদ্ভুত অস্বস্তি।

যদিও সোমবার বিকেলের পরেও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও। উপকূলেও পড়বে প্রভাব। তাই মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোয় তুলনায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে। চলতি মরশুমে বর্ষা এসেছে দেরিতে। সে ভাবে বৃষ্টিও হয়নি। তাই সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করবে মৌসুমি বায়ু, আশঙ্কা আবহবিদদের। ফলে এ বার পুজোয় ভাসতে পারে দক্ষিণবঙ্গ, অনুমান আবহবিদদের।

Comments are closed.