মাঠে সাপ ঢোকে তাই প্রার্থনা হয় না জলপাইগুড়ির দেবনগরের স্কুলে

সময়মতো শিক্ষিকারা না আসায় বিক্ষোভ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিক্ষিকাদের দেরিতে আসা ও পড়াশোনা না  হওয়ার অভিযোগে জলপাইগুড়ি‌র দেবনগর এলাকার কুমুদিনী বালিকা বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সময় মতো স্কুলে আসেন না শিক্ষিকারা, পালা করে তাঁরা দেরিতে আসেন, স্কুল শুরুর আগে প্রার্থনা পর্যন্ত হয় না। সবচেয়ে বড় কথা পড়াশোনা ঠিকমতো হচ্ছে না।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা‌দের ঘেরাও করে এলাকার লোকজন বুধবার বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সব অব্যবস্থার জন্য স্কুলে পড়ুয়া‌র সংখ্যা‌ কমতে শুরু করেছে। অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ‘দিদিকে বলো’তে অভিযোগ জানানো হবে বলেও তাঁরা হুমকি দিয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা পিকলু সাহা বলেন, “স্কুলের শিক্ষিকাদের একাংশ সময় মতো স্কুলে আসেন না। স্কুলে সাপ ঢুকেছিল, এই অজুহাতে নিয়মিত প্রার্থনা হয় না তাই আজ আমরা এখানে বিক্ষোভ দেখালাম। পরিস্থিতি না বদলালে ‘দিদিকে বলো’তে অভিযোগ জানাব।”

    জানা গেছে, জলপাইগুড়ি কুমুদিনী বালিকা বিদ্যালয়ে পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় এক হাজার। এজন্য ষোলো জন স্থায়ী শিক্ষিকা ও তিন জন প্যারাটিচার রয়েছেন। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা-সহ মোট তিন জন শিক্ষিকা বর্তমানে ‘চাইল্ড কেয়ার লিভ’-এ আছেন। তাতে সমস্যা আরও বেড়েছে।

    স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বিনা চন্দ বলেন, “আমার কাছে প্রায় সময় অভিযোগ আসে যে শিক্ষিকারা স্কুলে সময় মতো আসেন না। পড়াশোনা ও প্রার্থনা হয় না। আমি এর আগে স্কুলে এসে অভিযোগ জানিয়ে গেছি কিন্তু সুরাহা হয়নি। সমস্যা না মেটায় আজ বাধ্য হয়ে এই ধরনের পথ বেছে নিয়েছেন এলাকাবাসীরা।”

    উমা বসু নামে স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা বলেন, “স্কুলের কয়েক জন শিক্ষিকা ছুটিতে আছেন বলে পঠনপাঠনে সমস্যা হচ্ছে। স্কুলে সাপ ঢুকেছিল তাই সমবেত হয়ে প্রার্থনা বন্ধ ছিল কিন্তু একেবারে প্রেয়ার লাইন হয় না এই অভিযোগ ঠিক নয়। আমরা সমস্ত বিষয় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে জানাব।”

    তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা চুমকি ভট্টাচার্য টেলিফোনে জানান, সন্তানের মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য তিনি-সহ মোট তিন জন শিক্ষিকা চাইল্ড কেয়ার লিভে আছেন। ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মতো যে নিয়মে স্কুলে আসার কথা, এর মধ্যেও তাঁরা সেভাবেই স্কুলে হাজিরা দিচ্ছেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More