বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৩
TheWall
TheWall

রাজ্যপালের বিজ্ঞানচিন্তা: ‘রামায়ণের সময় উড়ন্তযান ছিল, অর্জুনের তিরে ছিল পরমাণু শক্তি!’

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘আজগুবি’ মন্তব্য করায় বিজেপি নেতারা অন্যদের বলে বলে গোল দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন বলেই মনে করেন অনেকে। সে তালিকায় নামের শেষ নেই। বিপ্লব দেব, গিরিরাজ সিং থেকে দিলীপ ঘোষ—কে নেই সেখানে। কিন্তু বাংলার রাজ্যপালের মন্তব্য শুনে অনেকেই মস্করা করে বলছেন, বিপ্লব-দিলীপদের কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিতে পারেন জগদীপ ধনকড়।

কেন? কী এমন বলেছেন রাজ্যপাল?

মঙ্গলবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ধনকড় দাবি করেছেন, “বিংশ শতাব্দী নয়। রামায়ণেই উড়ন্তযানের উল্লেখ রয়েছে । মহাভারতের সঞ্জয়ের মুখে একথা শোনা গিয়েছে’’। এখানে থামলে তবু নয় কথা ছিল। তা করেননি বাংলার সাংবিধানিক প্রধান। এরপর রাজ্যপাল বলেন, ‘‘অর্জুনের তিরে পরমাণু শক্তি ছিল। তাই যুগ যুগ ধরেই ভারতকে কেউ উপেক্ষা করতে পারে না। ভারতকে উপেক্ষা করা যাবে না’’।

২০১৪ সালে গণপতি উৎসবে মহারাষ্ট্রের মাটি থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কারকথা শুনিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলেছিলেন, গণেশের মাথাই হল সর্বপ্রথম প্লাস্টিক সার্জারির উদাহরণ। তারপর অনেক রাজ্যের অনেক নেতাই এ হেন মন্তব্য করে বিতর্ক তৈরি করলেও, ত্রিপুরার মসনদে বিপ্লব দেব আসার পর তাঁর ধারে কাছে কেউ ঘেঁষতে পারেননি। কখনও বিপ্লব বলেছেন মহাভারতের যুগে ইন্টারনেট ছিল তো কখনও বলেছেন হাঁস নিঃশ্বাস ছাড়লে জলে অক্সিজেন বাড়ে। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, গরুর দুধে সোনা আছে। একইসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দাবি করেছিলেন গরুর কুঁজে স্বর্ণনাড়ি আছে। তাতে সূর্যের আলো পড়লেই সোনা বেরোয়। তা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছিল।

যদিও এদিন রাজ্যপালের কথা শুনে এক বামপন্থী অধ্যাপক টিপ্পনি কেটে বলেন, “রাজ্যপাল বিজেপির এজেন্ট জানতাম। কিন্তু আরএসএস-এর এমন একনিষ্ঠ ছাত্র তা জানা ছিল না!”

Share.

Comments are closed.