স্বাস্থ্যবিধি মেনেই গুরুপূর্ণিমার দিন খুলল মায়াপুরের ইসকনের মন্দির, পুজো শুরু নবদ্বীপের প্রাচীনতম মা পোড়ামার মন্দিরেও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের জেরে দীর্ঘ ১০৩ দিন বন্ধ থাকার পরে গুরুপূর্ণিমার দিনে খুলল নদিয়া জেলার মায়াপুরের ইসকনের মন্দির। তবে মন্দিরে ঢোকা ও পুজো দেওয়া ক্ষেত্রে সব রকমের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হবে বলেই জানানো হয়েছে। অন্যদিকে এদিনই পুজো শুরু হয়েছে ভাগীরথীর অন্যপাড়ে নবদ্বীপের প্রাচীনতম মা পোড়ামা ভবতারিণীর মন্দিরে।

ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস জানিয়েছেন, “আজ থেকে মন্দির খুলে দেওয়া হল। মন্দিরের ভিতরে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে ভক্তদের। প্রধান গেটে প্রথমে দর্শনার্থীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। তারপরেই তাঁদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের। সবসময় মাস্ক পরতে হচ্ছে মন্দিরের ভিতরে থাকা প্রত্যেককে।”

রসিক গৌরাঙ্গ দাস জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ও বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির চত্বর। সবরকমের নিয়ম মেনেই দর্শনার্থীদের পুজো দিতে আসতে হবে। মন্দির চত্বরে বেশিক্ষণ বসে থাকা, ধ্যান করা কিংবা শুয়ে প্রণাম করাও যাবে না বলেই জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে সাড়ে তিনমাস বন্ধ থাকার পরে ভাগীরথীর অন্য পাড়ে নবদ্বীপে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হল প্রাচীনমতম গ্রাম্যদেবী মা পোড়ামা ভবতারিণীর মন্দির ও লাগোয়া শিবমন্দির। সকাল থেকেই দূরত্ব বজায় রেখে সেখানে পুজো দিলেন দর্শনার্থীরা।

মন্দিরের সেবায়েত মানিক লাল ভট্টাচার্য জানান, ২২ মার্চ জনতা কার্ফুর দিন থেকেই মন্দির বন্ধ ছিল। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মন্দির বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে এদিন মন্দির খোলায় অনেক দর্শনার্থী এসেছেন। আজ গুরুপূর্ণিমার বিশেষ তিথিতে সেই মন্দির খুলে দেওয়া হল। তবে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে, মাস্ক পরে তবেই দর্শনার্থীদের মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পুজো দিয়ে অন্য পথ দিয়ে বের হতে হবে তাঁদের।

করোনা সংক্রমণের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরে কিছুদিন আগে খুলেছে রাজ্যের সব বিখ্যাত মন্দির। দক্ষিণেশ্বর মন্দির, তারাপীঠ মন্দির, কালীঘাট মন্দির সব খোলা হয়েছে। তবে সব জায়গায় নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হচ্ছে। সব স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দর্শনার্থীদের মন্দিরে প্রবেশ করতে হচ্ছে। কাউকেই গর্ভগৃহে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সব নিয়ম মেনেই পুজো দিচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More