রবিবার, অক্টোবর ২০

প্রচারের শেষ পর্বে বহরমপুরে ঝড় তুললেন শুভেন্দু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার ভোট। শনিবার বিকেল পর্যন্ত ছিল শেষ প্রচার। আর শেষ পর্বের প্রচারে বহরমপুর শহরে কার্যত ঝড় তুলে দিলেন রাজ্যের পরিবহনণ ও পরিবেশ মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মুর্শিদাবাদ জেলার পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী।

এ দিন বহরমপুর শহরে তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকার ওরফে ডেভিডের সমর্থনে কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী সমর্থককে নিয়ে বিরাট মিছিল করেন শুভেন্দু। কার্যত জনস্রোতের চেহারা নেয় নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম নেতার এই মিছিল। কুঞ্জুঘাটা থেকে বহরমপুর শহরের মধ্যে দিয়ে খাগড়া এলাকা হয়ে গোরাবাজার নিমতলায় শেষ হয় শুভেন্দুর মিছিল।

গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে মুর্শিদাবাদে এসেছেন শুভেন্দু। বারবার চ্যালেঞ্জের সুরে বলেছেন, “অধীরকে হারিয়েই ছাড়ব।” চোদ্দর ভোটে বাংলার যে ছ’টি আসন কংগ্রেস এবং সিপিএমের দখলে ছিল, এ বার সেই আসনগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দিয়েছিলেন শুভেন্দুর কাঁধে। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই মালদহ, মুর্শিদাবাদ কার্যত চষে বেরিয়েছেন তিনি।

গত চারবারের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। বহরমপুরের নাম বললেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলেন, অধীর গড়। এ বার সেই মিথ ভাঙতে মরিয়া বাংলার শাসক দল। রাজনৈতিক মহলের মতে, শাসক দলের অন্য অনেক নেতার তুলনায় শুভেন্দুর কাজটা অনেক টাই চ্যালেঞ্জের। যে ছ’টি আসন তাঁর দায়িত্বে, সবকটিতেই গতবার হেরেছিল দল। আর এ বার বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ করতে সবকটিতেই জিততে হবে। বেছে বেছে তাই ডেভিডকে প্রার্থী করেছেন অধীরের বিরুদ্ধে। ষোলর ভোটে ডেভিড জিতেছিলেন কংগ্রেসের টিকিটে। পরে যোগ দেন তৃণমূলে। এক সময় অধীর চৌধুরীর ছায়াসঙ্গী ছিলেন ডেভিড। মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক মহল তাঁকে অধীরের শিষ্য হিসেবেই চেনেন। অনেকের কাছেই তাই বহরমপুরের লড়াই গুরু বনাম শিষ্যের। কিন্তু অনেকে আবার এ-ও বলেন, অপূর্ব সরকার কোনও ফ্যাক্টরই নয়। লড়াইটা শুভেন্দুর সঙ্গে অধীরের। এখন দেখার শেষ হাসি কে!

Comments are closed.