বুধবার, জানুয়ারি ২৯
TheWall
TheWall

সব্যসাচীর জন্য ‘ওয়াই’ ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিল অমিত শাহের দফতর, মোতায়েন আজ থেকেই

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র তথা বিজেপিতে যোগ দেওয়া একদা দাপুটে তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে ‘ওয়াই’ ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বুধবার থেকেই এই নিরাপত্তাবলয় পাবেন রাজারহাটের বিধায়ক।

নেতাজি ইনডোরে বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জন জাগরণ সভার দিনি সব্যসাচী যোগ দিয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরে। অমিত শাহের সামনেই তাঁর বক্তৃতায় আর্জি জানিয়েছিলেন, “কাশ্মীর এখন শান্ত হয়ে গিয়েছে। এবার আপনি বাংলাটাকে বাঁচান।”

সব্যসাচী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর অনেকেই বলেছিলেন, এই যোগদান আর যাইহোক শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মতো হবে না। সব্যসাচী গেরুয়া শিবিরে সরকারি ভাবে শোভনের পরে গেলেও, তাঁকে কলকাতা জেলার একাধিক দায়িত্ব দেয় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। গান্ধী সঙ্কল্প যাত্রার কলকাতার সমস্ত কর্মসূচির দায়িত্ব পড়ে বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়রের কাঁধে। নতুন দলে দায়িত্বের সঙ্গে নিরাপত্তার বহরও বেড়ে গেল সব্যসাচীর।

তৃণমূল ছাড়ার পরের দিনই সব্যসাচীর নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছিল নবান্ন। তারপর থেকে ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে ঘুরছিলেন তিনি। তবে এ বার তাঁর নিরাপত্তা বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার।

গত কয়েকমাস ধরেই রাজ্য রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে সব্যসাচী। সেই মতুয়া মহাসঙ্ঘের বোর মা বীণাপাণিদেবীর সৎকারের পরের দিন তাঁর বাড়িতে মুকুল রায়ের চলে যাওয়া, লুচি-আলুরদম খাওয়ার ঘটনা নিয়ে শাসক দলে কম তোলপাড় হয়নি। উত্তর চব্বিশ পরগনা তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রায় সব্যসাচীকে মেয়র পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল কালীঘাটকে। কিন্তু পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের হস্তক্ষেপে তাতে সাময়িক ছেদ পড়ে। লোকসভা ভোটে কাজ না করলেও তাঁর বিধানসভা থেকে লিড পেয়েছিল তৃণমূল। তখন আবার অনেকেই ভাবতে শুরু করেছিলেন, তাহলে কি তৃণমূলের উপর সব ক্ষোভ রাতারাতি উবে গিয়েছে সব্যসাচীর? দেখা যায় সে সব কিছুই না। কয়েক দিন যেতে না যেতেই আবার দলকে অস্বস্তিতে ফেলতে শুরু করেন সল্টলেকের তৎকালীন মেয়র। শেষমেশ অনাস্থা আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ইস্তফা দেন সব্যসাচী। নতুন মেয়র পদে শপথ নেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী।

পড়ুন ‘দ্য ওয়াল’ পুজো ম্যাগাজিন ২০১৯ -এ প্রকাশিত গল্প

Share.

Comments are closed.