জলপাইগুড়িতে করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মী, হাওড়ায় আক্রান্ত পুলিশ কমিশনারের বাংলোয় কর্মরত হোমগার্ড

মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, “পরিসংখ্যান বলছে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তবে সুস্থ হয়ে বহু মানুষ ফিরেও আসছেন। তাই উদ্বেগের কারণ নেই।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: একই দিনে হাওড়ায় পুলিশকর্মী ও জলপাইগুড়িতে এক স্বাস্থ্যকর্মীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় খবর পাওয়া গেছে। হাওড়ায় এই নিয়ে করোনায় আক্রান্ত পুলিশকর্মীর সংখ্যা বেড়ে হল ৭২। স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় উদ্বিগ্ন জলপাইগুড়ি শহরের মানুষ।

    হাওড়া সিটি পুলিশের কমিশনার কুণাল আগরওয়ালের বাংলোয় কর্তব্যরত এক হোম গার্ডের করোনায় পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে গোলাবাড়ি থানা এলাকায় আইএলএস হাসপাতালে। পুলিশ সূত্রে খবর, হাওড়ার লিলুয়ার পটুয়াপাড়ার বাসিন্দা ওই হোমগার্ডের কয়েক দিন আগে জ্বর হয়। ওষুধে জ্বর না কমায় গত রবিবার তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। মঙ্গলবার রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যায় ওই হোম গার্ড করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এরপরে তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতলে।

    এই নিয়ে হাওড়া পুলিশে মোট বাহাত্তর জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। জেলায় গত মঙ্গলবার এক দিনে ৭৩ জন আক্রান্ত হন। গ্রামের দিকেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরতে শুরু করার পরে পুরো রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, “পরিসংখ্যান বলছে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তবে সুস্থ হয়ে বহু মানুষ ফিরেও আসছেন। তাই উদ্বেগের কারণ নেই।”

    জলপাইগুড়ি শহরে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত এক স্বাস্থ্যকর্মী। বর্তমানে তিনি মাটিগাড়া কোভিড হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। জলপাইগুড়ি পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের রেসকোর্সপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওই স্বাস্থ্যকর্মী কোভিড হাসপাতালে কর্মরত হলেও নিয়মিত তাঁর বাড়িতে আসা যাওয়া ছিল। গত শুক্রবারও রেসকোর্সপাড়ার বাড়িতে যান তিনি। শনিবার ও রবিবার বাড়িতে কাটিয়ে সোমবার কর্মস্থলে ফিরে যান।

    বৃহস্পতিবার তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে জলপাইগুড়ি শহরে।

    জলপাইগুড়ি পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের প্রধান পাপিয়া পাল জানিয়েছেন, ওই স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর পেয়ে জরুরি বৈঠকে বসে পুরসভা ও প্রশাসন। বৈঠকের পরে রেসকোর্স পাড়ায় ওই স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়ি ও সংলগ্ন এলাকাকে কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি এলাকা জীবাণু মুক্ত করার কাজ শুরু করছে পুরসভা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More