রবিবার, ডিসেম্বর ৮
TheWall
TheWall

‘মুখ্যমন্ত্রী বলেননি আমার কোথায় ভুল হচ্ছে’, তারপরে সলমনের ডায়লগ ধনকড়ের মুখে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় একটি কলেজের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার রাজ্যের সঙ্গে হেলিকপ্টার বিতর্কে জড়িয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। শুক্রবার সড়কপথেই সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান সস্ত্রীক ধনকড়। পথে সিউড়িতে সংবাদমাধ্যমের সামনে রাজ্যের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের ব্যাপারে মুখ খুললেন রাজ্যপাল। সেইসঙ্গে সলমন খানের জনপ্রিয় ডায়লগও শোনা গেল তাঁর মুখে।

ফরাক্কা যাওয়ার পথে সিউড়ির সার্কিট হাউসে আধ ঘণ্টা বিশ্রাম নেন রাজ্যপাল। তারপর সেখান থেকে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। তাঁকে সড়কপথে আসার অভিজ্ঞতার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে ধনকড় বলেন, “ন্যাশনাল হাইওয়ের অবস্থা ভালই। স্টেট হাইওয়েও ভাল। কিছু কিছু জায়গা খারাপ ছিল। সেখানে একটু ধাক্কা খেতে হয়েছে। ধাক্কা তো জীবনে আসতেই থাকে।”

তারপরেই রাজ্যপালকে প্রশ্ন করা হয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন রাজ্যে প্যারালাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন চলছে, এই ব্যাপারে তাঁর কী বক্তব্য? তার জবাব দিতে গিয়ে ধনকড় বলেন, “রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে যোগাযোগ দু’ভাবে হয়। সামনাসামনি কথা হয়। নইলে চিঠির মাধ্যমে হয়। এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমার সামনাসামনি কোনও কথা হয়নি। রাজ্য সরকার থেকে আমাকে চিঠি লিখেও কিছু জানানো হয়নি। আমি প্রশাসনের কাছ থেকে এখনও কোনও চিঠি পাইনি যে আমি আমার অধিকারের থেকে বেশি কিছু বলেছি। মুখ্যমন্ত্রী একবারও বলেননি আমার কোথায় ভুল হচ্ছে।”

সড়কপথে এতটা দূরে যাওয়ার অভিজ্ঞতার ব্যাপারে ধনকড়কে প্রশ্ন করা হলে তাঁর এক অন্য দিকও দেখা যায়। সলমন খানের ওয়ান্টেড ছবির এক বিখ্যাত ডায়লগ বলেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, “একবার যো ম্যায় কমিটমেন্ট কর দি, উসকে বাদ তো মে খুদ কি ভি নেহি সুনতা। আমি কথা দিয়েছি অনুষ্ঠানে যাব। তাতে ৬০০ কিলোমিটার না ১০০০ কিলোমিটার আমাকে যেতে হল তা আমি দেখি না। ভোর ৫টায় রওনা দিয়েছি আমি। ঠিক পৌঁছে যাব।”

সবশেষে রাজ্যপাল বলেন তিনি রাজ্যের ভালর জন্যই যাচ্ছেন। ধনকড়ের কথায়, “রাজ্যের শিক্ষাকেন্দ্রগুলোর পরিকাঠামো ভাল হওয়া খুব দরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, পড়াশোনার পরিবেশ বজায় থাকে সেটা আমাদের দেখতে হবে। আমি ভাইস চ্যান্সেলরদের সঙ্গেও এই ব্যাপারে কথা বলতে চাই।”

Comments are closed.