রাজনৈতিক ভাইরাস অকেজো, করোনা রুখতে নেতৃত্বে মোদী, টপ গিয়ারে মমতা: রাজ্যপাল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেদিন সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন, সেদিন সন্ধেবেলা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এক অধ্যাপক রসিকতা করে পোস্ট করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাসি হাসি মুখের ছবি দিয়ে লিখেছিলেন, ‘করোনাভাইরাস: মেলালেন তিনি মেলালেন।’

    করোনার আবহে রাজ্য থেকে দেশ পেরিয়ে সারা বিশ্বেই রাজনৈতিক-কূটনৈতিক বিরোধিতা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে। সোমবার সাত সকালে টুইট করে সেটাই বলতে চাইলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

    রাজ্যপাল এদিন টুইট করে লেখেন, “কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সবচেয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন হল, রাজনৈতিক ভাইরাস অকেজো হয়ে গেছে। সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সমস্ত রাজনৈতিক দলের সমর্থন নিয়ে টপ গিয়ারে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    অনুব্রত মণ্ডল থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প, সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে শি জিনপিং, স্মৃতি ইরানি থেকে রাহুল গান্ধী– বিরোধীদের সম্পর্কে যাঁরা সবসময় যুদ্ধংদেহি মেজাজে থাকেন, তাঁরা একেবারেই নিষ্প্রভ। বরং প্রত্যেকেরই এখন প্রধান শত্রু নভেল করোনাভাইরাস।
    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই অধ্যাপক ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছিলেন, চিন্তা করুন তো বছর দেড়েক আগের কথা! ঘূর্ণি ঝড় ফণীতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলি তছনছ হয়ে গেছিল। তারপর প্রধানমন্ত্রী কলাইকুন্ডাতে বাংলা ও ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েছিলেন। নবীন পট্টনায়ক গেলেও সটান না বলে দিয়েছিলেন মমতা। কিন্তু এবার সেসব নেই।

    শুধু বাংলার রাজনীতি নয়। কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করার পাঁচ মিনিটের মধ্যে রাহুল গান্ধী টুইট করে বলছেন, ‘সঠিক পদক্ষেপ!’ ভাবা যায়! এবার দেশের বাইরে বেরিয়ে গেলেও ছবিটা এক। এই দু’সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রেগেমেগে বললেন, চিন ভাইরাস ছড়িয়েছে। নাম দিয়ে দিয়েছিলেন ‘চিনা ভাইরাস’। সেই ট্রাম্পই এখন গলে জল। চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলে তিনি যে খুব খুশি এবং তাঁরা যে আরও কাছাকাছি এসে কাজ করবেন তাও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তা ছাড়া গতকালই আমেরিকায় প্রচুর সংখ্যায় মাস্ক, মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট পাঠিয়েছে চিন।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলার রাজনৈতিক বিরোধিতা যে স্তরে পৌঁছেছিল তাতে এই পরিবর্তিত ছবিটা চোখে পড়ার মতোই ঘটনা। কেউ বা বলছেন, রাজ্যপাল প্রথম থেকেই শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করাকে ভাল ভাবে নেননি। বারবার সরকারের সঙ্গে সাংবিধানিক এক্তিয়ার, প্রক্রিয়া নিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছেন। তাই আজ যখন এই বদল তিনি তো খুশি হবেনই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More