স্তব্ধ ব্যারাকপুর, মণীশ শুক্ল খুনের ঘটনায় বিজেপি-র ডাকা বনধে থমথমে শিল্পাঞ্চল

২৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ দলের ডাকসাইটে নেতা মণীশ শুক্ল খুনের প্রতিবাদে সোমবার ব্যারাকপুর বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। সোমবার সকাল থেকেই দেখা গেল স্তব্ধ ব্যারাকপুর। বন্ধ দোকানপাঠ। রাস্তায় লোকজন নেই বললেই চলে। তবে সকাল থেকেই রাস্তায় নামলেন বিজেপি কর্মীরা। একাধিক জায়গায় অবরোধ করলেন তাঁরা। খুনিদের কড়া শাস্তির দাবি তুলে চলল স্লোগান। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায় সেজন্য তৎপর প্রশাসনও।

সোমবার সকাল থেকেই ব্যারাকপুর, টিটাগড়- সহ পুরো এলাকার ছবিটা প্রায় একই রকম। মণীশ শুক্ল খুনের ঘটনায় রবিবার রাতেই উত্তাল হয়ে উঠেছিল টিটাগড় ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা। খুনিদের গ্রেফতারের দাবি জানাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। পরিস্থিতি সামলাতে নামাতে হয় কমব্যাট ফোর্স। সোমবার সকাল থেকে রাস্তায় লোক সেরকম নেই বললেই চলে। অবশ্য দেখা গেল বিজেপি কর্মীদের। বনধ সফল করতে উদ্যোগী তাঁরা। সেইসঙ্গে দলীয় পতাকা নিয়ে চলল স্লোগান।

বিজেপির ডাকা বনধে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে আশঙ্কা করেই হয়তো রাস্তায় সেরকম মানুষ বের হননি। দোকানপাঠও বেশিরভাগ বন্ধ রয়েছে। বেলা বাড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তৎপর রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না বেরিয়ে যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে বলে জানিয়েছে তারা। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ যা করার তাই করবে।

রবিবার রাত আটটা নাগাদ টিটাগড়ের বিজেপি পার্টি অফিসে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন ব্যারাকপুরের ডাকসাইটে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্ল। রাত সওয়া দশটা নাগাদ বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মণীশের মৃত্যুর খবর রটতেই উত্তাল হয়ে ওঠে টিটাগড়। শুরু হয় বিটি রোড অবরোধ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানোর হয় কমব্যাট ফোর্স।

জানা গিয়েছে, রবিবার দলীয় কর্মসূচিতে হাওড়ায় গিয়েছিলেন পেশায় আইনজীবী ও বিজেপি–র ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সদস্য মণীশ শুক্ল। সেখান থেকে ফিরে সন্ধ্যায় টিটাগড় থানার পাশে বিটি রোডের উপর দলীয় কার্যালয়ে ঢুকছিলেন তিনি। এমন সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা।

এই খুনের ঘটনা নিয়ে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, তৃণমূলের লোকজনই মণীশকে গুলি করেছে। তার আরও অভিযোগ, গোটা ঘটনায় পুলিশের হাত রয়েছে। নাহলে থানার কাছে ১৫-১৬ জন মিলে এই ধরনের হামলা চালাতে পারে না। পাল্টা পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক বলেন, বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলের কারণেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে এই খুনের ঘটনায় ফের সরব রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজ্য পুলিশের ডিজি ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে তলব করেছেন রাজ্যপাল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More