বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৫

এখনও নেভেনি আগুন, ঘোলার চেয়ার কারখানা থেকে বেরোচ্ছে কালো ধোঁয়া

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দুপুর ১২টায় লেগেছিল আগুন। আট ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পরেও এখনও আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। উত্তর ২৪ পরগণার ঘোলায় চেয়ার তৈরির কারখানা থেকে এখনও বের হচ্ছে কালো ধোঁয়া। দমকল কর্মীদের অনুমান, ছোট ছোট পকেট থেকে এখনও আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন দমকল কর্মীরা। পাশে বেশ কিছু বাড়ি থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ এই চেয়ার তৈরির কারখানায় আগুন লাগে। রোজকার মতনই তখন চেয়ার তৈরির কাজ চলছিল। শ্রমীকরা প্রথম আগুন দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে। শ্রমীকরা নিজেরাও জল ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু কারখানায় প্রচুর দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন ক্রমশ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। কিন্তু আগুন বাড়তে থাকায় আরও ১৩টি ইঞ্জিন সেখানে গিয়ে পৌঁছয়।

এই অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। আগুন লাগার পর থেকেই ৩ জন শ্রমিক ওই কারখানার ভেতরে আটকে আছে বলে শোনা যাচ্ছিলো। ঘণ্টা তিনেকের চেষ্টায় প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ভেতরে ঢোকা সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে ভেতরে কেউ আটকে আছে বলে নির্দিষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছিল না।

আগুন কিছুটা নেভার পর ফের বেশ কিছু অংশ থেকে কালো ধোঁয়া দেখতে পাওয়া যায়। দমকল কর্মীরা জানিয়েছেন, চেয়ার কারখানা বলে প্রচুর পরিমাণে দাহ্যবস্তু মজুত করা রয়েছে সেখানে। ফলে মাঝেমধ্যেই ছোট ছোট পকেট থেকে আগুন বের হচ্ছে। মুহূর্তেই তা ফের ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। আশেপাশে প্রচুর বাড়ি থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। পুরোপুরি আগুন না নেভা পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারছেন না তাঁরা।

দমকলের তরফে জানানো হয়েছে, পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগবে। তবে চেষ্টা চালাচ্ছেন দমকল কর্মীরা। কী কারণে আগুন লাগল, তা নিশ্চিত নয়। তবে দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান। বাসিন্দাদের দাবি, কয়েক বছর আগেও এই চেয়ার কারখানায় আগুন লেগেছিল। তারপরেও সতর্ক হননি কারখানা মালিক।

আরও পড়ুন

দিল্লিতে ধর্ণার আগে গণতন্ত্র রক্ষায় আবার গর্জে উঠলো দিদির কলম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Comments are closed.