মুখ্যমন্ত্রীর মুখের কথা আর সরকারের বিজ্ঞপ্তির মিল নেই, পুজো অনুদান মামলায় মন্তব্য হাইকোর্টের

আদালতের তরফে বলা হয়, পুজো অনুদান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখের কথা এবং সরকারি নির্দেশিকায় মিল নেই।

৬০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজো অনুদান মামলায় বৃহস্পতিবারের শুনানিতেই রাজ্য সরকারের দিকে একাধিক প্রশ্ন বান ছুড়ে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার সেই মামলার রায় দেওয়ার আগে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

আদালতের তরফে বলা হয়, পুজো অনুদান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখের কথা এবং সরকারি নির্দেশিকায় মিল নেই। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই, “মুখমন্ত্রী টাকা দেওয়ার সময় যে কারণে টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন, আর পরে বিজ্ঞপ্তিতে সরকার যা বলেছেন তা মিলছে না।”

তিনি আরও বলেন, “দল নির্বিশেষে আপনারা প্রত্যেকে আমলাতন্ত্রের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছেন। আমলাতন্ত্র মজবুত হলে এই অবস্থা হয় না। বিচার-বুদ্ধি-বিবেচনায় আমলারা আপনাদের থেকে অনেক এগিয়ে।”

২০১৮ সালে প্রথম পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়া শুরু করে রাজ্য। সেবার ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। গত বছর তা বাড়িয়ে করা হয় ২৫ হাজার। এবছর তা আরও বাড়িয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। নেতাজি ইনডোর থেকে.ঘোষণা করেন, ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

২০১৮ সালেও মামলা করেছিলেন দুর্গাপুরের সিটু নেতা সৌরভ দত্ত। এবারও তিনিই মামলাকারী। সেই মামলায় হাইকোর্টে বয়ান বদল করে রাজ্য। জানায় যে, ট্রাফিক পুলিসের “সেফ ড্রাইভ- সেভ লাইফ” প্রকল্পে এই টাকা দিচ্ছে সরকার। অবশেষে, মামলায় স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। তারপর তা তুলেও নেওয়া হয়। এরপর সৌরভ দত্ত সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। এখনও সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়নি শীর্ষ আদালতে। তার মধ্যেই ফের মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে।

মামলাকারীর আইনজীবী তথা সিপিএমের রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আদালতের কাছে আমাদের বক্তব্যের অন্যতম বিষয় ছিল সরকারের অবস্থান বদল। মুখ্যমন্ত্রী মুখে যা বলছেন আর সরকার যে বিজ্ঞপ্তি জারি করছে তা সম্পূর্ণ উল্টো। এদিন আদালতও একই মন্তব্য করেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More