শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

ফের বিকল হেরিটেজ তকমা পাওয়া টয়ট্রেন, বিকল্প ট্রেন এনে শেষ হলো যাত্রা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের বিভ্রাট দেখা দিল হেরিটেজ তকমা পাওয়া টয় ট্রেনে। ফলে ভোগান্তির শিকার হলেন বিদেশি পর্যটক সহ যাত্রীরা।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার দার্জিলিং জংশন স্টেশন ছেড়ে কিছুটা এগোতেই থেমে যায় ট্রেন। তারপর সুকনা স্টেশন যেতে যেতে আরও কয়েকবার থেমে যায় ট্রেন। তারপর অবশ্য সুকনা স্টেশন ছাড়ার পর দিব্যি এগোচ্ছিল টয় ট্রেন। কিন্তু পাহাড়ি পাকদণ্ডি বেয়ে রংটং-এ পৌঁছনোর পর পুরোপুরি বিকল হয়ে যায় ট্রেনের ইঞ্জিন। মাঝ রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেন।

ফলে বাধ্য হয়ে সেখানেই নেমে পড়েন যাত্রীরা। রেলের তরফে জানানো হয়, কন্ট্রোল রুমে খবর দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশে ট্রেন রওনা দিয়েছে। দুপুর ২টো নাগাদ সেই ট্রেন এসে রংটং পৌঁছয়। তারপর ইঞ্জিন বদলে ফের যাত্রা শুরু করে ট্রেন।

কিন্তু এই ইঞ্জিন বিকলের পরে ফের আঙুল উঠেছে হেরিটেজ তকমা পাওয়া টয় ট্রেনের বিরুদ্ধে। তাঁদের অভিযোগ, কামরা ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে এসে বেশ কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়েন বিদেশি পর্যটকরা। রীতিমতো বিরক্ত হয়ে পড়েন তাঁরা।

তবে রেলের তরফে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, এ দিন ইঞ্জিন বিকল হয়নি। জানানো হয়েছে, নিয়ম মেনেই পাহাড়ি চড়াই রাস্তায় ওঠার আগে ব্রেক ঠিক মতো কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য আচমকা ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল শুরুতে। প্রতিদিনই এই পরীক্ষা করা হয় বলে রেলের দাবি। কিন্তু ওই ইঞ্জিন পাহাড়ে উঠতে পারছিল না বলে অন্য ট্রেনের সঙ্গে এই ইঞ্জিন বদল ঘটিয়ে ট্রেন চালু করা হয়েছে। ইঞ্জিনে বিভ্রাট হয়নি, সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি হয়েছে বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।

অন্যদিকে বিকল হওয়া ইঞ্জিন নিয়ে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় টয় ট্রেন। ট্রেনের চালক রঘুনাথ রায় জানান, ‘‌ডাউন ট্রেনের ক্ষেত্রে ইঞ্জিন সামান্য বিকল থাকলে সমস্যা নেই। নিচু রাস্তায় ঠিক পৌছে যাব শিলিগুড়ি। কিন্তু উঁচু রাস্তায় যেতে গেলে সমস্যা হবে।’‌ কাটিহার ডিভিশনের এনজেপি সার্কেলের এডিআরএম পার্থপ্রতিম রায় জানান, ‘‌সমস্যা হয়েছিল। ইঞ্জিন পাল্টে মিটিয়ে ফেলা হয়েছে। বিপজ্জনক কিছু হয়নি।’‌

Comments are closed.