ঝাড়গ্রাম বাদ দিয়ে পরের দফার ৭ আসনে ৭৩ শতাংশ কেন্দ্রীয়বাহিনী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক ধাক্কায় ২৭ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয়বাহিনী কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।

    চতুর্থ দফার ভোটে বীরভূম, বোলপুর, আসানসোল এবং বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। তারপরই কমিশন পঞ্চম দফার ভোটে ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয়বাহিনী দেওয়ার কথা ঘোষণা করে। কিন্তু মঙ্গলবার বৈঠকের পর কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঝাড়গ্রামের ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও ষষ্ঠ দফার বাকি সাত কেন্দ্রে ৭৩ শতাংশ কেন্দ্রীয়বাহিনী থাকবে।

    শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়। কমানো হয়েছে কুইক রেসপন্স টিমের সংখ্যাও। গত দফায় ১৪২টি কুইক রেসপন্স টিম কাজ করেছিল। রবিবারের ভোটে ১০০টি কুইক রেসপন্স টিম থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    ঝাড়গ্রাম-সহ ষষ্ঠ দফায় ভোট হবে তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর, ঘাটাল, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে। যার মধ্যে একাধিক আসন জঙ্গলমহলের। যেখানে গত পঞ্চায়েত ভোটে একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের ফলাফল খুব একটা সন্তোষজনক হয়নি।

    যদিও কমিশনের একটি সূত্রের দাবি, এটা মঙ্গলবারের বৈঠকের সিদ্ধান্ত। পরে এটা বাড়তেও পারে। তবে জঙ্গলমহলের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় কেন সব বুথে কেন্দ্রীয়বাহিনী থাকবে না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

    পঞ্চম দফায় সব বুথে কেন্দ্রীয়বাহিনী ১৪২টি কুইক রেসপন্স টিম থাকার পরও হিংসাহীন ভোট করা যায়নি। বোমাবাজি, মারামারি, এজেন্ট তুলে দেওয়া এমনকী বুথে ঢুকে ইভিএম ভাঙার ঘটনাও ঘটেছে। তারপরেও   কমিশনের এই সিদ্ধান্ত।

    ১২-মের ভোটে একাধিক হেভিওয়েটের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। এর মধ্যে রয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, ভারতী ঘোষ, তৃণমূলের দেব এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রার্থীর। এখন দেখার কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক দলগুলি অন্য কোনও দাবি তোলে কি না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More