শনিবার, জানুয়ারি ২৫
TheWall
TheWall

দু’দিন পরেই পঞ্চম দফা, ফণী নিয়ে জরুরি বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইতমধ্যেই তছনছ হয়ে গিয়েছে ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকা। এ বার বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী। আর যা নিয়ে কপালে ভাঁজ নির্বাচন কমিশনের। পরিস্থিতি জানতে শুক্রবার সকালে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মুখ্য আধিকারিক আরিজ আফতাব ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলছেন জেলা শাসকদের সঙ্গে।

দু’দিন পরেই ভোট। সোমবার পঞ্চম দফায় ভোট হবে হাওড়া, হুগলি ও উত্তর চব্বিশ পরগনার ৭ কেন্দ্রে। সেগুলি হল—উলুবেড়িয়া, হাওড়া, শ্রীরামপুর, হুগলি, আরামবাগ, ব্যারাকপুর ও বনগাঁয়। কী ভাবে ভোট কর্মীরা ভোটের সরঞ্জাম বিতরণের কেন্দ্রে পৌঁছবেন, সেখান থেকে তাঁদের কী ভাবে বুথে নিয়ে যাওয়া হবে এই গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে চিন্তিত কমিশন। ঝড়ের পর ওই এলাকাগুলির অবস্থা কী হবে তা নিয়েও আশঙ্কা রয়ে গিয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দুই মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ফণীর। কিন্তু মেদিনীপুর লাগোয়া দুই কেন্দ্র, উলুবেড়িয়া ও আরামবাগের অবস্থা কী হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে কমিশনের আধিকারিকদের। কারণ এই দুই কেন্দ্রের একটা বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যাপ্রবণ। উলুবেড়িয়া কেন্দ্রের আমতা, উদয়নারায়ণপুর এবং আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট, পুরশুড়ার মতো এলাকায় ঝড়ের মারাত্মক প্রভাবের সম্ভাবনা রয়েছে।

ইতিমধ্যেই এই সমস্ত এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কুইক অ্যাকশন ফোর্স। যে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস, তার প্রভাব যদি এই এলাকাগুলিতে পড়ে তাহলে বহু মানুষের দুর্গত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে কী ভাবে ভোট হবে তা নিয়েও শঙ্কায় কমিশন। এরপর ১২ মে ভোট রয়েছে দুই মেদিনীপুরেও। গোটা পরিস্থিতি জানতে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই রিপোর্ট যাবে দিল্লিতেও।

Share.

Comments are closed.