কলেজ ভোট: সব ছাত্র সংগঠনকে বৈঠকে ডাকবে শিক্ষা দফতর, বাদ এবিভিপি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ বছর যে রাজ্যের কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদ ভোট হবে তা টিএমসিপির নেতাদের ডেকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলের মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এ বার সেই ভোট যাতে সুষ্ঠু ভাবে হয়, তার তোড়জোড় শুরু করতে চলেছে শিক্ষা দফতর। মঙ্গলবার বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ঘরে বসে সাংবাদিকদের সামনে পার্থবাবু বলেছেন, সমস্ত ছাত্র সংগঠন নিয়ে বৈঠকে বসবে শিক্ষা দফতর। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন এসেছে, এবিভিপি-কেও কি ডাকা হবে? শিক্ষামন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন কোনও প্রশ্নই নেই।

পার্থবাবুর কথায়, “যারা এ রাজ্যে দীর্ঘদিন ছাত্র আন্দোলন করছে, তাদেরকেই ডাকা হবে।” স্পষ্ট করে দিয়েছেন এই তালিকায় এবিভিপি পড়ে না। তিনি বলেন, “শিক্ষিত ছাত্র সংগঠনগুলিকেই ডাকা হবে।”

শিক্ষামন্ত্রীর এ হেন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিতে দেরি করেনি সঙ্ঘ পরিবারের ছাতার তলায় থাকা ছাত্র সংগঠন। রাজ্য এবিভিপির নেতা সুবীর হালদার বলেন, “পার্থবাবু এবিভিপি-কে ভয় পাচ্ছেন বলেই এ সব কথা বলছেন। ওঁর উচিত লিংডো কমিশনের সুপারিশ মেনে সঠিক ভাবে ভোট করানো।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলায় ১৯৪৯ সাল থেকে এবিভিপি রাজনীতি করছে। একমাত্র ছাত্র সংগঠন, যাদের রেজিস্ট্রেশন আছে।” তিনি আরও বলেন, “পাঁচশো ইউনিট হয়েছে। আমাদের শক্তি কী তা ভোটেই দেখাব।”

যদিও বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই এটাকে আই ওয়াশ বলছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা কলকাতা জেলার সম্পাদক সমন্বয় রাহা বলেন, “উপরে শিক্ষামন্ত্রী এ সব কথা বললেও তলায় তলায় বোঝাপড়া করে রেখেছেন। কে না জানে.ওঁদের দলের হাত ধরেই বাংলায় বিজেপি-র এই বারবাড়ন্ত!” এটাকে

পর্যবেক্ষকদের মতে, এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি-ঠেকাতে বাম কংগ্রেসকে এক হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন। সেই লাইনেই হাঁটতে চেয়েছেন পার্থ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More