নবান্নে ইস্ট-মোহন যুদ্ধ, সামাল দিলেন মমতা, বল গেল ফেডারেশনের কোর্টে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যুবভারতী অনেক দূর। করোনা থাবায় বড় ম্যাচ হবে কি হবে না তা নিয়ে তুমুল বাকযুদ্ধ হয়ে গেল নবান্ন সভা ঘরে। শক্ত হাতে সামাল দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বড় ম্যাচ হবে কি হবে না তা নিয়ে নবান্ন বল পাঠাল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কোর্টে।

এদিন ক্রীড়া সংগঠনের প্রতিনিধিদের বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার তথা নিতুর সঙ্গে ব্যাপক বিতর্ক বাঁধল মোহনবাগান কর্তা সৃঞ্জয় বসুর। এদিন সৃঞ্জয় বসু বলেন, আইএসএল ফাইনাল হচ্ছে ফাঁকা মাঠে। তাহলে বড় ম্যাচ দর্শকশূন্য হতেই পারে। পাল্টা নিতু সরকার বলেন, গত ডার্বি পিছিয়ে গিয়েছিল। পুলিশ বলেছিল নিরাপত্তা দিতে পারবে না। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছিল, ১৫ হাজার দর্শক নিয়ে ডার্বি করতে। মোহনবাগান রাজি হয়নি। তাহলে এবারও একমাস পিছিয়ে দেওয়া হোক।

আরও পড়ুন: ইডেন ম্যাচ বাতিল, সৌরভের প্রতি মমতার উষ্মা প্রকাশের পরে পরেই সিদ্ধান্ত

গতবার ডার্বির আয়োজক দল ছিল মোহনবাগান। এবার ইস্টবেঙ্গলের হোম ম্যাচ। গতকালই লাল-হলুদ জানিয়ে দিয়েছিল ফাঁকা মাঠে তারা খেলবে না। এদিনও দৃঢ়তার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে সে কথা বোঝাতে চেষ্টা করেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা। কিন্তু মোহনবাগানের তরফে বলা হয়, টিভিতে সম্প্রচার হবে। দর্শকরা সেখানেই দেখতে পাবেন। আইলিগ শেষ না হলে ফেডারেশন সরকারি ভাবে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করছে না। ফলে সমর্থকরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। এর পাল্টা নিতু সরকার বলেন, আইএসএল সম্প্রচার করছে স্টার। সারা পৃথিবী সেই ম্যাচ দেখতে পাবে। কিন্তু বড় ম্যাচ যারা সম্প্রচার করছে তারা সব জেলাতেই ঠিক করে দেখাতে পারছে না।

এর মাঝেই মমতা এইআইএফএফ-এর প্রতিনিধি সুব্রত দত্তকে বলতে বলেন। তিনি ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের কথা জানান। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কড়া সুরে বলেন, এ ভাবে হয় না। আপনারা আবেগটা বুঝুন। এরপর সুব্রত দত্তকে খানিকটা ধমকের সুরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভাইরাস ছড়ালে কিন্তু দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে।”

পরিস্থিতি এমন জায়গায় যে সুব্রত দত্ত বৈঠকে বসেই ফোন করেন প্রফুল্ল পটেলকে। তাঁকে না পেয়ে সচিব কুশল দাসকে ফোন করেন তিনি। কুশল দাস সংসদের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বলে জানান সুব্রত। মমতাকে তিনি বলেন, “দিদি কুশল দাস যাচ্ছেন। উনি প্রফুল্ল পটেলকে আপনার সঙ্গে ফোনে কথা বলবেন।”

কার্যত বড় পিছিয়ে দেওয়ার ইস্টবেঙ্গলের যুক্তিকে সমর্থন করেন মুখ্যমন্ত্রী। একসময় এমন হয় যে সৃঞ্জয় বসুকে মমতা বলেন, “টুম্পাই আমি তোমার কথা বেশি শুনছি মানে এই নয় যে তুমি আক্রমণাত্মক হবে। এটা ঝগড়াঝাটি করার জায়গা নয়।”

সব মিলিয়ে বড় ম্যাচ নিয়ে সিদ্ধান্ত হল না এদিন বিকেল পর্যন্ত। নবান্ন থেকে বল গেল সোজা এইআইএফএফ দফতরে। এখন ফেডারেশন কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই দেখার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More