মমতা বাগড়া দিলেন বলেই চন্দ্রযান কেঁচে গেল, খোঁচা দিলীপের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার দুপুরে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে নজর ঘোরাতেই এই চন্দ্রযান পাঠানো হয়েছে।” চব্বিশ ঘণ্টা কাটল কী কাটল না, ল্যান্ডার বিক্রম চাঁদ ছুঁতে না পারার দায় মমতার উপর চাপিয়ে দিলেন বিজেপি রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ। স্পষ্ট বলে দিলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বাগড়া দিয়েছেন বলেই ব্যাপারটা কেঁচে গেল। কারণ ভালোটা উনি চান না। সবেতে বাগড়া দেন। ঠাকুর ওঁকে সৎ বুদ্ধি দিক।”

    তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করে মেদিনীপুরের সাংসদ আরও বলেন, “তিন তালাক তুলে দিলে ওনার কষ্ট। ৩৭০ ধারা তুলে দিলে ওনার কষ্ট। চন্দ্রযান পাঠালে ওনার কষ্ট। ওনার কী সে যে আনন্দ আজ পর্যন্ত সেটাই বুঝতে পারলাম না।”

    মুখ্যমন্ত্রী গতকাল বলার চেষ্টা করেছিলেন, বিজেপি এমন করছে যেন এর আগে চন্দ্রযান যায়নি। মমতা বলেছিলেন, পঞ্চাশ বছর ধরে এই গবেষণা চলছে। এটা তো নতুন নয়। এরা এমন একটা ভাব করছে, যেন এই প্রথম সবকিছু হল। এ দিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “চন্দ্রযান নিয়ে দেশকে আমরা জাগিয়েছি। দেশের মধ্যে একটা স্বভিমান জেগেছে। একটা আত্মবিশ্বাস জেগেছে যে, আমরা পারি।” তাঁর কথায়, “কতটা সফল হয়েছে সেটা বিচার্য নয়। বাকিটা পরের বার হবে। এটা তো একটা প্রক্রিয়া।” তিনি আরও বলেন, “কেউ কেউ বাগড়া দিচ্ছেন, কেউ কষ্ট পাচ্ছেন, কেউ হতাশ হচ্ছেন। হতাশার কোনও জায়গা নেই। মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।”

    তৃণমূলের নেতারা বলছেন, কালকে যখন দিদি ওই কথা বলেছিলেন, তখন অনেকে ভুরু কুঁচকেছিলেন। কিন্তু আজ দিলীপ ঘোষের কথাতেই পরিষ্কার, চন্দ্রযানকে বিজেপি দলীয় অ্যাজেন্ডায় পরিণত করেছে। ইসরোর সাফল্যকে মোদীর সাফল্য হিসেবে দেখাতে চাইছে। এটা আসলে বিজ্ঞানীদের অপমান করা। এটাই বিজেপি-র সংস্কৃতি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More