দিলীপ ঘোষ বয়সে সিনিয়র, রাজনীতিতে নন: শুভেন্দু অধিকারী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল গত ৩০ তারিখ। সোমবার খড়গপুর সদর ও নদিয়ার করিমপুর আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থীরা। দুটি কেন্দ্রেই দেখা গিয়েছে, বিরাট বড় জমায়েত নিয়ে মনোনয়ন জমা দেন শাসক দলের প্রার্থীরা। খড়্গপুরে তৃণমূলের টিকিটে লড়ছেন প্রদীপ সরকার ও করিমপুরে লড়ছেন বিমলেন্দু সিংহ রায়।

এদিন খড়্গপুরে তৃনমূলের মনোনয়নে নেতৃত্ব দেন রাজ্যের পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মিছিল শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, খড়্গপুর পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে তিনি প্রত্যয়ী। তাঁর কথায়, “দল ঐক্যবদ্ধ। সংগঠনের কাজ আমরা গুছিয়ে নিয়েছি।”

ভোটের ফল নিয়ে আগাম কোনও মন্তব্য করতে চাননি মন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, “আমি গণৎকার নই। এটা ভোটারদের উপর ছেড়ে দেওয়াই ভাল।” তবে তিনি এও বলেন, “বিদায়ী বিধায়কের অকর্মণ্যতার বিরুদ্ধে খড়্গপুরের মানুষ পছন্দের প্রার্থী পেয়েছেন।” ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে হারতে হয় কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের বিধায়ক জ্ঞান সিং সোহনপালকে। যিনি বাংলার রাজনীতিতে চাচা হিসেবেই পরিচিত। বিধায়ক হন বিজেপির দিলীপ ঘোষ। দিলিপবাবু লোকসভায় জেতার পর এই আসনটি ফাঁকা হওয়ায় উপনির্বাচন হচ্ছে।” রেলশহর খড়্গপুরে রেলের বেসরকারিকরণ অন্যতম ইস্যু হতে পারে বলে মনে করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “ডিআরএম অফিস ঘেরাও কর্মসূচিতে এসেই বুঝে গিয়েছিলাম, খড়্গপুরের মানুষ এবার পরিবর্তন চাইছেন।”

খড়্গপুর সদর আসন দীর্ঘদিন কংগ্রেসের দখলে ছিল। বিধায়ক ছিলেন চাচা। এদিন কংগ্রেসকে সাইনবোর্ড পার্টি বলে কটাক্ষ করলেও, চাচা সম্পর্কে তাঁর শ্রদ্ধার কথা জানাতে ভুললেন না মন্ত্রী। বললেন, “উনি প্রণম্য ব্যক্তি। আমার বাবা শিশির অধিকারী চাচার শিষ্য। আমি ওঁদের মতো নেতাদের দেখেই বড় হয়েছি।” এই ভোটেও প্রয়াত চাচার আশীর্বাদ তাঁর শিষ্যের পুত্রের মাথায় থাকবে বলে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু।

এদিন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, এই আসন কি তাহলে দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারীর সম্মানের লড়াই। এর জবাবে দিলীপের প্রতি কটাক্ষ ছুড়ে দিয়ে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, “আমি ৮৭ সালে একাদশ শ্রেণিতে কলেজে পড়ার সময়ে ক্লাসের ভোটে জিতেছিলাম। ছাত্র পরিষদ থেকে রাজনীতির শুরু। দিলীপবাবু হয়ত আমার থেকে বয়সে সিনিয়র। কিন্তু রাজনীতিতে নন। উনি রাজনীতিতে এসেছেন ২০১৫ সালে তাই ওঁর সঙ্গে আমার তুলনা টানবেন না।” একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, “এটা কোনও ব্যক্তির লড়াই নয়। সামগ্রিক দলের লড়াই।”

শুভেন্দুর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এক বিজেপি নেতা বলেন, “সমাজ ও মানুষজনকে নিয়েই রাজনীতি। সংসার-ধর্ম ছেড়ে দিলীপদা সমাজসেবার কাজ করছেন সেই ছোটবেলা থেকে। বাকিটা ভোটাররাই বলবেন।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More