বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২১
TheWall
TheWall

আরও শক্তিশালী বুলবুল, সকাল থেকেই ঝোড়ো হাওয়া, বন্ধ ফেরি পরিষেবা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরও শক্তিশালী হয়ে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা রাজ্য জুড়ে। সাগরদ্বীপ থেকে মাত্র ১৯০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়। কলকাতা থেকে দূরত্ব ৩০০ কিলোমিটার। ক্রমশ আরও শক্তিশালী হয়ে এগিয়ে আসছে বুলবুল। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ১২০- থেকে ১৩৫ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। শনিবার সকাল থেকেই উপকূলের জেলাগুলিতে ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বইছে ঝোড়ো হাওয়া।

শনিবার মধ্যরাতে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে আছড়ে পড়ার কথা বুলবুলের। তার আগে শনিবার সকাল থেকেই চলছে নাগাড়ে বৃষ্টি। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দুই চব্বিশ পরগনায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শনিবার সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে হাওড়া-কলকাতা ফেরি পরিষেবা। আহিরীটোলা এবং বাগবাজার সহ বিভিন্ন ঘাটে ফেরি পরিষেবা বন্ধ রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে বিপর্যয় ঠেকাতে তৈরি প্রশাসন। বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে সুন্দরবনে। এছাড়াও বাড়তি নজরদারি চলছে দিঘা, মন্দারমনি, তাজপুর এবং সংলগ্ন এলাকায়। মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে পুলিশ। আবহবিদদের আশঙ্কা উপকূলের বিভিন্ন জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দুর্যোগ এড়াতে শুক্রবার বিকেল থেকেই তৎপরতা রয়েছে সাগরদ্বীপ, কাকদ্বীপ এবং নামখানায়। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। উপকূল এলাকা থেকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাসিন্দাদের।

দশ বছর আগে ২০০৯ সালে আয়লা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। তছনছ হয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূল সংলগ্ন এলাকা। এবার বিপর্যয় এড়াতে কড়া নজরদারি চলছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন জেলায়। তৈরি বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দলও।

Comments are closed.