অমিত শাহ-রাজু বিস্তের চিঠিতে ছড়াল বিভ্রান্তি, গোর্খাল্যান্ডকে কি স্বীকৃতি দিচ্ছে বিজেপি?

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একজন দার্জিলিং-এর বিজেপি সাংসদ, অন্য জন বিজেপি-র সভাপতি তথা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দু’জনের চিঠিতেই ‘গোর্খাল্যান্ড’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

গত ১২ জুলাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছিলেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু সিং বিস্ত। তাঁর দাবি, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য দিল্লি পুলিশের যে বিশেষ বাহিনী গঠন করা হয়েছে, তাতে যেন জায়গা দেওয়া হয় ‘গোর্খাল্যান্ড’ ও লাদাখের যুবকদের। রাজু বিস্তের সেই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে অমিত শাহ যে চিঠি লিখেছেন, তাতেও রয়েছে ‘গোর্খাল্যান্ড’ শব্দটি। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি গোর্খল্যান্ড শব্দটি ব্যবহার করে সেটাকে স্বীকৃতি দিতে চাইছেন? রাজ্য বিজেপি-র নেতারা রয়েছেন দুর্গাপুরে। সেখানে দলের চিন্তন শিবির চলছে। রাজু বিস্তও রয়েছেন সেখানে। কিন্তু এ ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হননি।

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দিয়ে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করার পর থেকেই একটা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। রাজ্য ভাগ নিয়ে বিশেষত তৃণমূল ও বামেরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাহলে কি এই ফর্মূলায় এ বার বাংলাকেও টুকরো করে দেবে বিজেপি? রাজু এবং শাহের চিঠিতে ‘গোর্খাল্যান্ড’ শব্দটি নিয়ে নতুন করে সেই বিতর্ক আরও দানা বেঁধেছে।

পাহাড়ের তৃণমূল নেতা লালবাহাদুর রাই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “বিজেপি পাহাড়ে কোনও কাজ করেনি। ওরা চেষ্টা করছে এ সব কথা বলে নতুন করে পাহাড়কে অশান্ত করতে।” যদিও বঙ্গ বিজেপি সতর্ক। সূত্রের খবর চিন্তন শিবিরেও বাংলার নেতাদের কেন্দ্রীয় নেতারা স্পষ্ট করে বলেছেন, ৩৭০ ধারা নিয়ে প্রচার করতে গিয়ে যেন কোনও ভাবেই দার্জিলিং নিয়ে বাংলার মানুষের আবেগে ধাক্কা না লাগে।

সরকারি ভাবে বিজেপি নেতারা জোড়া চিঠিতে ‘গোর্খাল্যান্ড’-এর উল্লেখ নিয়ে প্রতিক্রিয়া না দিলেও, অনেকেই ঘরোয়া আলোচনায় বলছেন, চিঠিতে গোর্খাল্যান্ডের উল্লেখ থাকা মানেই নতুন রাজ্য বা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হয়ে যাওয়া নয়। তাঁদের মতে, রাজ্য সরকারও তো জিটিএ করেছে। যার পুরো কথা গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। তাহলে কি রাজ্য সরকার গোর্খাল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয়? এই বিতর্ককে অহেতুক বলেই মনে করছে বঙ্গ বিজেপি-র অনেকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More