উত্তর ২৪ পরগনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অপসারিত, জেলায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পদ থেকে সরানো হল তপনকুমার সাহাকে। তাঁকে স্বাস্থ্য ভবনে অন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাপসকুমার রায়কে। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় করোনা রোধে ব্যর্থ হওয়ার জন্যই তপনকুমার সাহাকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে। এ রাজ্যে কলকাতার পরে সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রামিত জেলা উত্তর ২৪ পরগনা। জেলার বারাসত, দত্তপুকুর, মধ্যমগ্রাম, শাসন, অশোকনগর, রাজারহাট, বিধাননগর প্রভৃতি ৯৫টি জায়গাকে কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় এ পর্যন্ত মোট চার হাজার ছশো সতেরো জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন দু’হাজার ছশো বাইশ জন। জেলায় একশো পঞ্চাশ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। বর্তমানে এক হাজার আটশো পঁয়তাল্লিশ জনের শরীরে করোনাভাইরাস রয়েছে অর্থাৎ তাঁরা করোনা পজিটিভ।

ক্রমাগত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় বুধবার থেকে জেলা  প্রশাসন কড়াকড়ি শুরু করে দেয়। চায়ের দোকানের মতো যে সব জায়গায় বেশি লোকের জমায়েত হয় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। লকডাউনের সুপারিশ করা হয় নবান্নে। সেখান থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই বৃহস্পতিবার কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়।

শুধুমাত্র কন্টেনমেন্ট জোনে নয়, করোনা নিয়ন্ত্রণে জেলার সবক’টি বাজার ও মাছের বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। তবে মুদিখানার দোকান খোলা রাখা হয়েছে। যাঁরা একক ভাবে বাজার ও মাছ বিক্রি করেন তাঁরাও ব্যবসা খোলা রাখতে পারবেন তবে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। ই-কমার্সে ছাড় দেওয়া হয়েছে। অটো ও টোটো থেকে বাস – সব ধরনের গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিষেবা দেওয়ার প্রয়োজনে এগুলি চালানো যেতে পারে। পণ্যবাহী গাড়িকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

অফিস, কারখানা ও শিল্পোৎপাদন ক্ষেত্রকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কর্মী নিয়ে চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক, এটিএম, টেলিকম, পেট্রোল পাম্প, দমকলের মতো বিভিন্ন জরুরি পরিষেবা চালু রাখার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পুরোপুরি বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে জেলা প্রশাসন তবে কার্গো বিমান চলাচলে তাদের আপত্তি নেই। ধর্মীয় স্থান সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে কাজ করতে পারলে নির্মাণকাজ চালু রাখতে পারবেন ঠিকাদাররা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More