টিউশন থেকে ফেরার পথে ছাত্রী ও তার মাকে অপহরণ, চাঞ্চল্য লিলুয়ায়

রাস্তায় লাগানো সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পেরেছে বেনারস রোড থেকে কোনা হাইওয়ের দিকে গাড়িটিকে যেতে দেখা গিয়েছে। গাড়িটিকে ট্র্যাক করা শুরু করেছেন তাঁরা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভি ফুটেজও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাইভেট টিউশন থেকে ফেরার পথে এক ছাত্রী ও তার মাকে অপহরণের অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া জেলার লিলুয়া থানার অন্তর্গত বেলগাছিয়া-বেনারস রোডে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাত ৮টা ৫০ মিনিট নাগাদ প্রাইভেট টিউশন থেকে মেয়েকে নিয়ে ফিরছিলেন সুনিতা বিবি। মেয়ে রাশি খাতুন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। সেইসময় বেলগাছিয়া-বেনারস রোডের একটি নির্জন জায়গায় একটা টাটা সুমো তাদের জোর করে তুলে নিয়ে চলে যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, সেই সময় রাস্তায় লোকজন কমই ছিল। এই ঘটনা দেখে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ছুটে যান তাঁরা। কিন্তু তার আগেই সুমোটি চলে যায়। আলো কম থাকায় গাড়ির নম্বর দেখতে পাননি তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গে লিলুয়া থানার পুলিশকে খবর দেন তাঁরা।

    পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছান তাঁরা। ঘটনাস্থল থেকে বাচ্চাটির একটা ব্যাগ পাওয়া যায়। সেখানেই তার ও মায়ের নাম জানা যায়। এও জানা গিয়েছে, তারা লিলুয়ার পচাখাল এলাকার বাসিন্দা। খবর নিয়ে জানা গিয়েছে, স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন বনিবনা ছিল না সুনীতা বিবির। তাই মেয়েকে নিয়ে সেখানে ভাড়া থাকতেন তিনি।

    রাস্তায় লাগানো সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পেরেছে বেনারস রোড থেকে কোনা হাইওয়ের দিকে গাড়িটিকে যেতে দেখা গিয়েছে। গাড়িটিকে ট্র্যাক করা শুরু করেছেন তাঁরা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভি ফুটেজও। পুলিশের অনুমান, এই ঘটনার সঙ্গে সুনীতার স্বামীও যুক্ত থাকতে পারে। তার খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। তবে সুনীতার স্বামীর পরিচয় জানা এখনও সম্ভব হয়নি।

    পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাশির স্কুলে গেলে হয়তো তার বাবার খোঁজ পাওয়া যাবে। তবে অন্য কোনও কারণেও এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। রাশির ব্যাগ সেখানে পাওয়া যাওয়ায় পুলিশ নিশ্চিত, জোর করেই গাড়িতে তোলা হয়েছে তাদের। তবে এখনও থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। যদিও ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More