বুধবার, মার্চ ২০

মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীনই প্রধান শিক্ষক ও সহ-শিক্ষকের মারামারিতে উত্তেজনা স্কুল চত্বরে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : স্কুলে চলছিল মাধ্যমিকের ইংরাজি পরীক্ষা। হঠাৎই প্রধান শিক্ষক ও সহ-শিক্ষকের মারামারিতে উত্তেজনা ছড়ালো স্কুল চত্বরে। জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি দু’জন শিক্ষকই।

ঘটনাটি ইসলামপুর হাই স্কুলের। জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন সরস্বতী পুজোর চেক দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই গন্ডগোলের সূত্রপাত। কথা-কাটাকাটি গড়ায় হাতাহাতিতে। পরে অন্য শিক্ষকরা এসে তাঁদের ছাড়ান। আহত অবস্থায় ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ সলিমউদ্দিনকে। আহত হয়ে ইসলামপুরেরই একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে ভর্তি আছেন সহ-শিক্ষক বিপ্লব সরকার। দু’জনেই এই ঘটনায় একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

প্রধান শিক্ষক মহম্মদ সলিমউদ্দিনের অভিযোগ, সরস্বতী পুজোর অন্যতম দায়িত্বে ছিলেন এই বিপ্লব সরকার। বুধবার বকেয়া টাকা শোধ করার জন্য তাঁর কাছে চেক চাইতে আসেন বিপ্লববাবু। চেকে বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি কাইজার চৌধুরির সই থাকে। কিন্তু তাঁর এক নিকট আত্মীয় মারা যাওয়ায় তিনি বুধবার স্কুলে আসেননি। ফলে চেক দেওয়া সম্ভব হয়নি। প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ, এ কথা জানার পরেও চেক না পেয়ে বিপ্লববাবু উত্তেজিত হয়ে ওঠেন ও তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল দিতে শুরু করেন। তারপরে বিপ্লববাবু তাঁকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক।

অন্যদিকে বিপ্লব সরকারের দাবি, প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর অভিযোগ, এ দিন চেকের মাধ্যমে সব পাওনাদারদের টাকা শোধ দেওয়ার কথা ছিল। বিশেষ করে সরস্বতী পুজোর সময় বৃষ্টিতে ভিজে যে সব শ্রমিকরা কাজ করেছেন, তাঁদের কথা ভেবেই প্রধান শিক্ষকের কাছে তিনি চেক চাইতে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন বিপ্লববাবু। কিন্তু চেক না দিয়ে উলটে প্রধান শিক্ষকই তাঁকে সজোরে থাপ্পড় মেরেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এমনকী তারপরেও চেক না পেয়ে তিনি নিজের টাকা থেকে পাওনাদারদের টাকা মিটিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ওই সহ-শিক্ষক। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে যে লজ্জাজনক ঘটনা ঘটেছে তার দায়ও প্রধান শিক্ষকের উপর চাপিয়েছেন বিপ্লব সরকার।

আরও পড়ুন

ব্রেক-আপ বুজ : এক্স-এর ছবি পুড়িয়ে ফ্লাশ করলেই ফ্রিতে মদ, কোথায় দিচ্ছে জানেন?

 

Shares

Comments are closed.