সারদা মামলায় নতুন মোড়, রাঁচি থেকে সিবিআই টিম এল কলকাতায়, নোটিস ধরাল চার জনকে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝিমিয়ে পড়া সারদা চিটফান্ড তদন্তে হঠাৎ করেই যেন নতুন গতির সঞ্চার হল রবিবার। রাঁচি থেকে সিবিআইয়ের টিম এসে পৌঁছেছে কলকাতায়। চার জনকে নোটিস দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সির তরফে। জানা গিয়েছে, সুদীপ্ত সেন, দেবযানী মুখোপাধ্যায়, সুদীপ্ত সেনের ছেলে শুভজিৎ সেন এবং পিয়ালী মুখপাধ্যায় নামের এক মহিলাকে নোটিস ধরিয়েছে সিবিআই।

দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আজকেই আমার মক্কেলের বাড়িতে এসে সিবিআই অফিসাররা এই নোটিস দিয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে দেখেছি এই মামলাটি রাঁচিতে রেজিস্ট্রার হয়েছিল ২০১৭ সালে। কী বিষয়বস্তু রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে হবে।”

রাঁচিতে যে সিবিআই মামলা করেছে তা অনেকেরই জানা ছিল না। এমনিতে কলকাতা বাদ দিয়ে ভুবনেশ্বর এবং গুয়াহাটিতে সারদা মামলা রয়েছে। মূলত ভুবনেশ্বরকেই এপিসেন্টার করে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। তিন বছর আগে দায়ের হওয়া মামলার নোটিস হঠাৎ করে আসায় রাজনৈতিক মহলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে।

একুশের ভোটের আগে সারদা-সহ একাধিক তদন্তে যে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ফের গা ঝাড়া দিয়ে ময়দানে নামতে পারে তা নিয়ে সপ্তাহ দেড়েক আগেই নবান্নের সাংবাদিক নিজের বক্তব্য জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর বক্তব্য ছিল, ভোট এলেই ওরা (পড়ুন বিজেপি বা কেন্দ্রীয় সরকার) এজেন্সি পাঠিয়ে দেয়। ঘটনাচক্রে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী ওই কথার দিন দশেক কাটতে না কাটতেই রাঁচি থেকে বাংলায় এল সিবিআই টিম।

সারদা মামলা নিয়ে শেষবার সিবিআইয়ের নড়াচড়া দেখা গিয়েছিল গত  মার্চ মাসের গোড়ায়। সেই সময়ে ঘাটাল আদালতে রাজ্য সরকারের তৈরি করা এসআইটির একটি মামলা নিজেদের হাতে নিয়েছিল সিবিআই। তারপর করোনার প্রকোপ এবং লকডাউনের মধ্যে এই মামলা নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সির বিশেষ গতিবিধি নজরে আসেনি। ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সিবিআইকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More