ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া, বিজেপি পার্টি অফিসে বোমা-গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: ফের বোমা ও গুলি ভাটপাড়ায়। বৃহস্পতিবার রাত দশটা নাগাদ ভাটপাড়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর কলোনিতে বিজেপির কার্যালয় দখলের চেষ্টা অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, রাত দশটা নাগাদ বিজেপির পার্টি অফিস লক্ষ করে পাঁচ থেকে ছ’টি বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। সেই সময় পার্টি অফিসের ভেতরে বিজেপির কর্মীরা ছিলেন। বোমার আঘাতে অন্তত তিন জন আহত হন। বোমা ছুড়েই এলাকা ছেড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জগদ্দল থানার পুলিশ।

রাতে পালানোর সময় দুষ্কৃতীরা কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় বলেও অভিযোগ। এক মহিলার হাতে গুলি লেগেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এলাকা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার অযোধ্যায় রামমন্দিরের শিলান্যাস উপলক্ষে এই এলাকাতেও পুজোর আয়োজন করা হয়। অনেকেই ভাত খাননি। তাই বৃহস্পতিবার চড়ুইভাতির আয়োজন করা হয়েছিল। হঠাৎ শীতলা মন্দিরের গলি হয়ে রামনগর মাঠের উপর দিয়ে কয়েক শো ছেলে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে এলাকায় এসে হাজির হয়। তারা বোমা মারে। এক জনের হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পার্টি অফিস ভাঙচুরও করা হয়েছে।

গভীর রাতে ঘটনার কথা জানার পরে বিজেপি ও তৃণমূল – কোনও পক্ষের থেকেই কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি।

বুধবার রাতেও উত্তপ্ত হয়েছিল ভাটপাড়া। জগদ্দল মণ্ডল বিজেপি পার্টি অফিসে গভীর রাতে কে বা কারা একটি বোমা মারে। তাতে পার্টি অফিসের কিছুটা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিজেপির ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উমাশঙ্কর সিংয়ের বাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনাতেও তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছিল বিজেপি। যদিও তৃণমূল তা অস্বীকার করেছিল। তারা বলেছিল এ কাজ স্থানীয় দুষ্কৃতীদের।

ভাটপাড়ায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে জগদ্দলের অকল্যান্ড জুটমিলের কাছে মিছিলের জন্য বিজেপি কর্মীরা জড়ো হলে তার উপরে দুষ্কৃতীরা ব্যাপক বোমাবাজি করে। তখনও তৃণমূলের দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। তা থেকে পুলিশের সঙ্গেও বিজেপির খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। বোমাবাজিতে এক কিশোর আহত হয়েছিল। তৃণমূল ছেড়ে অর্জুন সিং বিজেপিতে যোগ দিয়ে ব্যারাকপুর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এই এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ লেগেই আছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More