তৃণমূল কর্মী খুনে অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীর দেহ মিলল খালে, চাঞ্চল্য গোঘাটে 

১৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূল কর্মী খুনে অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। পুলিশের খাতায় ছিলেন ফেরার। সেই বিজেপি কর্মী কাশীনাথ ঘোষের মৃতদেহ পাওয়া গেল খালের জলে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁকে খুন করেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

ঘটনাটি হুগলি জেলার গোঘাটের নকুন্ডা এলাকার। রবিবার সকালে সেখানেই একটি খালে কোটা গ্রামের বাসিন্দা কাশীনাথ ঘোষের দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা খবর দেন পুলিশে। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে তা আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। সেখানেই দেহ ময়নাতদন্ত করা হবে।

নিহত বিজেপি কর্মী কাশীনাথ ঘোষ

কাশীনাথের পরিবার অভিযোগ করেছে, শনিবার রাতে বাড়ি ফেরেননি তিনি। তাই খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তাঁরা। রবিবার সকালে তাঁর দেহ খালের জলে ভাসতে দেখা যায়। তৃণমূলই এই খুনের পিছনে রয়েছে বলে দাবি করেছে পরিবার। একই অভিযোগ বিজেপি দলের তরফেও করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, শনিবার রাতে বাড়ি ফেরার সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কাশীনাথকে খুন করে তাঁর দেহ জলে ফেলে দেয়। এলাকায় জনপ্রিয় হওয়ার জন্যেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

তৃণমূল অবশ্য বিজেপির সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ‘লোকসভায় ভালো ফল হওয়ার পর এখন সিপিএম ছেড়ে অনেকে বিজেপিতে ঢুকেছে। ফলে ওদের দলের ভেতরেই গণ্ডগোল চলছে। এই অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলেই খুন করা হয়েছে কাশীনাথকে। আর কাশীনাথ তো নিজেই তৃণমূল কর্মী খুনে অভিযুক্ত। পুলিশও তাঁকে খুঁজছিল। এমন হতে পারে, সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতেই খুন করা হলো কাশীনাথকে।’

পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগেই এই অঞ্চলে তৃণমূল কর্মী লালচাঁদ বাগকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। এই খুনে অভিযুক্তদের তালিকায় নাম ছিল কাশীনাথ ঘোষেরও। পুলিশের খাতায় তিনি পলাতক ছিলেন। তাঁর খোঁজ করছিল পুলিশ। তার মধ্যেই নিজেই খুন হয়ে গেলেন কাশীনাথ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More