বুধবার, অক্টোবর ১৬

রাজ্যের ৩১ ‘শহিদ’ পরিবার নিয়ে বঙ্গ বিজেপি-র দিল্লি যাত্রা, দেখা হবে অমিত শাহের সঙ্গে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের ৩১টি ‘শহিদ’ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিল্লি গেল বঙ্গ বিজেপি। সোমবার দুপুরের ট্রেনে রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যে যেমন রয়েছে, পুরুলিয়ার বলরামপুরে নিহত দুই বিজেপি কর্মীর পরিবার তেমনই রয়েছে উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিটে নিহত দুই স্কুল ছাত্রের পরিবারও। সন্দেশখালি, ভাটপাড়া-সহ সমস্ত পরিবারকেই দিল্লি নিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতৃত্ব।

বুধবার অর্থাৎ ২৪ জুলাই দিল্লির কন্সস্টিটিউসন ক্লাবে  কল ফর জাস্টিস নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আয়োজনে গণশুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী তথা তেলেঙ্গানার রাজ্যপাল সুষমা স্বরাজের। যাতে নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত বিচার মেলে, তার জন্য পদক্ষেপ করবে এই সংস্থা। ওই পরিবারগুলিকে আইনি সহায়তাও দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। ওই সেমিনারের পর সুষমা স্বরাজের সঙ্গেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন এই ৩১ ‘শহিদ পরিবারের’ সদস্যরা।

ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার বিজেপি সাংসদদের নির্দেশ দিয়েছেন টিম করে দেশের সমস্ত দলীয় সাংসদদের কাছে পৌঁছতে। তাঁদের কাছে গিয়ে দিলীপ ঘোষ, খগেন মুর্মু, সুভাষ সরকারদের বলতে হবে, বাংলার কী অবস্থা দেখুন। বাংলায় গণতন্ত্র নেই বলে বিজেপি যে অভিযোগ তুলছে, সেটাকেই জাতীয় স্তরে চাউর করতে চান নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরা। যাতে রাজ্যে রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যায় তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের স্বরূপ। পর্যবেক্ষকদের মতে, এক্ষেত্রেও সেই কৌশলই নিয়েছে গেরুয়া শিবির। উদ্দেশ্য একটাই, সর্বভারতীয় স্তরে তৃণমূলের কার্যকলাপকে তুলে ধরা। এক বিজেপি নেতার কথায়, “তৃণমূলের মুখোশ খোলা দরকার। কী ভাবে বাংলায় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ চলছে তা সারা দেশের জানা দরকার।”

যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, “বিজেপি এ সব নাটকের রাজনীতি করছে। আমাদের বেশি কর্মী খুন হয়েছে ওদের হাতে। ওরা তো পারিবারিক হিংসায় মারা গেলেও শহিদ বানিয়ে দিচ্ছে। শহিদ কথাটার মর্যাদাই নেই ওদের কাছে।”

Comments are closed.