বৃহস্পতিবার বাগনান বনধ ডাকল বিজেপি, দলীয় কর্মী হত্যার প্রতিবাদ

৪৬৯

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দলীয় কর্মী কিঙ্কর মাঝি হত্যার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ১২ ঘণ্টা বাগনান বনধ ডাকল বিজেপি। অষ্টমীর রাতে গুলি লেগেছিল কিঙ্করের। দ্বাদশীর দুপুরে তাঁর মৃত্যৃর খবর আসতেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় বাগনানে। রাতে বনধ ডাকল বিজেপি।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হুঁশিয়ারির সুরে বলেছেন, বনধ যদি প্রশাসন দিয়ে ভাঙার চেষ্টা হয় তাহলে যা যা ঘটনা ঘটবে সেই সব কিছুর জন্য রাজ্য সরকার দায়ী থাকবে। প্রসঙ্গত, ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্ল হত্যার পরের দিন বনধ ডেকেছিল বিজেপি। সেই বনধ ঘিরেও তুলকালাম কাণ্ড বেঁধে গিয়েছিল শিল্পাঞ্চলে।

বাগনানে চন্দনপাড়া এলাকায় গুলি চলার ঘটনা ঘটে অষ্টমীর রাতে। গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী কিঙ্কর মাঝিকে প্রথমে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়।

শনিবার রাতে মোটর সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন কিঙ্কর মাঝি। অভিযোগ, সেই সময়ে তাঁর পথ আটকায় তৃণমূল কর্মী পরিতোষ মাঝি ও আরও কয়েক জন। তারপর গুলি করে পালিয়ে যায় তারা।

গুলির আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। এরপর উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর চালায়।

যদিও বাগনান থানার পুলিশের বক্তব্য, জমি বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। একই বক্তব্য শাসকদলেরও। বাগনানের তৃণমূল বিধায়ক অরুণাভ সেন বললে, পারিবারিক বিবাদকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি।

নিহতের পরিবারের বক্তব্য, বিজেপি ছাড়ার জন্য লাগাতার হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More