তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মার, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে অভিযোগ শাসক দলের

৩০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনাঃ রাতের অন্ধকারে তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারধর করে অচৈতন্য অবস্থায় জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ওই নেতা। উলটে আবার তৃণমূলের বিরুদ্ধেই হামলা ও মারধরের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, এই হামলায় তাদের চার কর্মী জখম হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের দুলদুলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ভান্ডারখালি রাউত পাড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ স্থানীয় তৃণমূল নেতা ২৮ বছরের দীনবন্ধু কয়াল মোটর সাইকেলে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় নাকি রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী প্রথমে গাছ ফেলে তাঁর মোটর সাইকেল আটকায়। তারপর গাড়ি থেকে তাঁকে নামিয়ে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে।

তৃণমূলের অভিযোগ, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় দীনবন্ধুকে। তাঁর মোটর সাইকেলটিকেও ভাঙচুর করা হয়। মারের চোটে নেতা অচৈতন্য হয়ে পড়লে তাঁকে জঙ্গলের মধ্যে দুষ্কৃতীরা ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। বুধবার সকালে জঙ্গলের মধ্যে দীনবন্ধুকে পড়ে থাকতে দেখেন পথচারীরা। পাশেই তাঁর মোটর সাইকেলটিকে ভেঙে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে তুলে টাকী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই ভর্তি রয়েছেন ওই তৃণমূল নেতা।

এই ঘটনার জন্য বিজেপির বিরুদ্ধে দায় চাপিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হাসপাতালের বেডে শুয়ে দীনবন্ধু কয়াল অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিজেপি কর্মী অমর রাউত, ভবতোষ দাস, সমরেশ দাসের মদতে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে রাতের অন্ধকারে খুনের চেষ্টা করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতারাও বিজেপির বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেছেন।

যদিও তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি নেতা বিবেক সরকার উলটে অভিযোগ করেছেন তৃণমূলের দিকে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। দুষ্কৃতীদের হাতে বিজেপির চার কর্মী আহত হয়েছেন বলে তাঁর অভিযোগ।

এই অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের ঘটনায় উত্তপ্ত হিঙ্গলগঞ্জ। উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাসনাবাদ থানার পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তাঁরা। এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকায় যাতে আর উত্তেজনা না ছড়ায় তার জন্য টহল দিচ্ছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More