শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০

রবি ঘোষের এলাকাতেই তিনটি তৃণমূল অফিস তছনছ, অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো, কোচবিহার: রাজ্যের মন্ত্রীর বিধানসভা এলাকাতেই তছনছ হয়ে গেল তিনটি তৃণমূলের পার্টি অফিস। এবং তা কয়েক ঘণ্টা ব্যবধানে। একটি শুক্রবার রাতে। অন্য দুটি শনিবার দুপুরে।

কোচবিহারের নাটাবাড়ি বিধানসভার নাটাবাড়ি গ্রামে শুক্রবার রাতে তৃণমূলের একটি পাকা পার্টি অফিস ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বিধানসভায় এই পার্টি অফিসটি লোকসভার পর থেকেই তালাবন্ধ ছিল। শুক্রবার বেশি রাতে এখানেই চলে তাণ্ডব। তৃণমূলের পতাকা, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি-সহ পার্টি অফিসে থাকা জিনিসপত্র রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার বেলা বারোটা নাগাদ নাটাবাড়ির বলরামপুর-১ এবং বলরামপুর-২ অঞ্চলের দুটি তৃণমূল পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ পৌঁছেও তা ঠেকাতে পারেনি। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এলাকার মানুষ ভয়ে মুখ খুলছেন না। পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

লোকসভার পর থেকেই কোচবিহার জেলায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয় বন্ধ। খোলার জন্য রাজ্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রথমে তিন সাংসদকে কোচবিহার পাঠানো হয়। প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, মালা রায় এবং প্রতিমা মণ্ডল সেখানে যান। কিন্তু তাঁদের ফিরে আসতে হয়। এরপর রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গেলেও কোনও লাভ হয়নি। বক্সীবাবুকে জোড়া বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হয়। একদিকে রাস্তায় বিজেপি-র বিক্ষোভ এবং অন্যদিকে দলীয় সভায় গোষ্ঠী কোন্দল। এর মাঝেই জেলা সভাপতি বদল করে দিয়েছেন মমতা। রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বদলে জেলা সভাপতি করা হয়েছে দফতরবিহীন মন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মনকে। কিন্তু কোচবিহারের পরিস্থিতি বদলাচ্ছে না।

Comments are closed.