বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮

দিনহাটায় উদয়ন গুহর গাড়ি ভাঙচুর, অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের উত্তপ্ত হল কোচবিহার। এ বার দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল বিজেপি-র বিরুদ্ধে। যদিও বিজেপি- এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

রবিবার সকালে দিনহাটার নয়ারহাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করার জন্য যাচ্ছিলেন একদা বাম নেতা উদয়ন। তখনই একদল বিজেপি সমর্থক তাঁর গাড়ি রাস্তার উপর আটকে কালো পতাকা দেখায় বলে অভিযোগ। এরপরই ইট মেরে ভেনে দেওয়া হয় তাঁর দুধসাদা এসইউভি-র কাচ। গাড়ি থেকে নেমে হেঁটেই বৈঠকে যান উদয়ন।

ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যাওয়া এই নেতা গোটা ঘটনায় বিজেপি-র বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কয়েকজন পুলিশকর্মী সেখানে ছিলেন। কিন্তু হামলা হচ্ছে দেখে তাঁরাও পালিয়ে যান। বিজেপি-র বক্তব্য, তৃণমূলে এত গোষ্ঠী রয়েছে যে সমস্ত মারামারি ওরা নিজেরাই করে। এটা সারা বাংলা জানে।

কোচবিহারের বিড়ম্বনা যেন পিছু ছাড়ছে না শাসক দলকে। এমনিতেই হারতে হয়েছে লোকসভায়। তারপর দখল হয়ে গিয়েছে একের পর এক পার্টি অফিস। প্রথম দফায় তিন সাংসদকে কোচবিহার পরিদর্শনে পাঠিয়েছিল তৃণমূল। প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রতিমা মণ্ডল এবং মালা রায়কেও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। মাথাভাঙায় ঢুকতেই পারেননি তিন সাংসদ। এরপর জেলা সভাপতি বদল করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সারা বছর বিতর্কে জড়িয়ে থাকা উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ক’দিন আগেই কোচবিহার গিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। কিন্তু সেখানেও এক ঘটনা। একদিকে বিজেপি-র বিক্ষোভ, অন্য দিকে তৃণমূলের কোন্দল—সব দেখে কর্মসূচি বাতিল করেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরে আসেন বক্সী। এ দিন ‘হামলা’ হল উদয়নের গাড়িতে।

Comments are closed.