বসিরহাট উত্তরের সিপিএম বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে

রাজ্যের দুই মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে ও অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে পতাকা নেন রফিকুল। তারপর জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে শামিল হতেই তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন।

১০৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের কমল সিপিএমের বিধায়ক সংখ্যা। বসিরহাট উত্তরের সিপিএম বিধায়ক রফিকুল ইসলাম যোগ দিলেন তৃণমূলে।

রাজ্যের দুই মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে ও অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে পতাকা নেন রফিকুল। তারপর জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে শামিল হতেই তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন।

একসময়ে তিনি ছিলেন ডাকসাইটে তৃণমূল নেতা। কিন্তু সেই রফিকুলকেই ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। রাগে-ক্ষোভে সিপিএমে যোগ দিয়ে দিয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম। রাতারাতি তাঁকে প্রার্থীও করে দেয় আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। বাম-কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে বসিরহাট উত্তর জেতেন রফিকুল। শুক্রবার তিনি ফিরলেন তৃণমূলে।

একুশের ভোট যত এগিয়ে আসছে তত দলবদলের পালা জমে উঠছে। কয়েকদিন আগেই রামনগরের প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক ও মালদার গাজ্লের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। এদিন দেখা গেল এক বাম বিধায়কে নিজেদের শিবিরে শামিল করাল তৃণমূল।

এ ব্যাপারে বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “খুবই দুর্ভাগ্যজনক। পশ্চিমবাংলায় তৃণমূল আর বিজেপি মিলে এই দল ভাঙানোর সংস্কৃতি শুরু করেছে। যাতে আসলে রাজনীতি কলুষিত হচ্ছে।”

রফিকুলকে প্রার্থী করা নিয়ে ১৬-র ভোটে তীব্র আপত্তি ছিল সিপিএমের একাংশের। অনেকের মতে, উত্তর ২৪ পরগনার এক প্রভাবশালী নেতা, যাঁর রাজ্য কমিটিতে নিয়ন্ত্রণ ছিল, তাঁর চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তেই প্রার্থী করা হয়েছিল। জেতার পরে রফিকুলের বিরোধিতা করা নেতাদের কার্যত কোণঠাসা করে দিয়েছিল সেই প্রভাবশালী নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রীর গোষ্ঠী। আর আজ যখন রফিকুল তৃণমূলে ভিড়লেন, তখন সেদিন বিরোধিতায় সোচ্চার হওয়া নেতারা বলছেন, “কমিউনিস্ট পার্টি যদি রেডিমেড রাজনীতির চোরা গলিতে ঢুকে পড়ে, তাহলে এই দশাই হয়।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More