সুড়ঙ্গের পর লেদ মেশিন উদ্ধার! আবু সুফিয়ানের বাড়ি যেন আস্ত অস্ত্র কারখানা

১৯ তারিখ দুপুরেই জানা গিয়েছিল, রানি নগরের বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ বানিয়েছিল ধৃত আবু সুফিয়ান। এবার তার বাড়ি থেকেই উদ্ধার হল লেদ মেশিন। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই লেদ মেশিনেই চলত দেশি বন্দুক বানানোর কাজ।

২৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুর্শিদাবাদ থেকে আল কায়দা যোগে ধৃতদের যত জেরা করছেন এনআইএ গোয়েন্দারা, ততই একের পর এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য উঠে আসছে।

১৯ তারিখ দুপুরেই জানা গিয়েছিল, রানি নগরের বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ বানিয়েছিল ধৃত আবু সুফিয়ান। এবার তার বাড়ি থেকেই উদ্ধার হল লেদ মেশিন। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই লেদ মেশিনেই চলত দেশি বন্দুক বানানোর কাজ।

পেশায় কাঠের মিস্ত্রী আবু সুফিয়ান। জানা যাচ্ছে ২০১৭ সাল থেকে তার জঙ্গি যোগ শুরু হয়। কত অস্ত্র সে বানিয়েছে, সেগুলি কোথায় কথায় পাঠিয়েছে সে ব্যাপারেই বিশদে জানার জন্য জেরা চালাচ্ছেন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা।

গতকালই জানা গিয়েছিল, ডোমকল থেকে ধৃত আল মামুন মাদ্রাসা শিক্ষার আড়ালে শিশুদের মগজ ধোলাইয়ের পাঠশালা চালাত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আল কায়দা যোগে ধৃত এই যুবক এলাকায় একটি বেসরকারি মাদ্রাসা গড়ে তোলার জন্য কাজকর্ম চালাচ্ছিল। সেটার আড়ালেই স্থানীয় শিশুদের মগজধোলাইয়ের কাজ করছিল সে।

এও জানা যায়, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য কেরল থেকে ও আর্থিক সাহায্য এসে পৌঁছত আল মামুনের কাছে। কেবলমাত্র ভিন রাজ্য থেকে আসা সাহায্যই নয়। স্থানীয়ভাবে রশিদ ছাপিয়ে মাদ্রাসা শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের নাম করে টাকা তোলা হতো বলে জানা গিয়েছে। বছর দুয়েক ধরে এই ভাবেই এলাকায় নিজের প্রভাব বিস্তার করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল আল মামুন।

১৮ সেপ্টেম্বর নওয়াদাপাড়ার বাড়ি থেকেই আল মামুনকে গ্রেফতার করে এনআইএ। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, স্থানীয় ধর্মীয় স্থলের পাশে এই মাদ্রাসাটি তৈরি করা হয়। আরবি শেখানোর জন্য এক মৌলবীকে নিযুক্তও করা হয় সেখানে।

সুড়ঙ্গ, ছদ্ম মাদ্রাসা থেকে লেদ মেশিন উদ্ধার, একের পর এক তথ্য উঠেন আসছে জেরায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More